রোদ বৃষ্টি ঝড়ে সাংবাদিকের কর্তব্য পালন ২৪ঘন্টা
সৌমেন মন্ডল, রাজশাহী ব্যাুরো প্রধানঃ
সাংবাদিক মানে শুধু পদে পদে বাধা আর ঝুঁকির হাতছানি। তবুও কর্তব্য পালনে অকুতোভয় কলমসৈনিক সব কিছু উপেক্ষা করে ছুটে চলেন দুর্বার গতিতে।
সকালে ঘুম থেকে উঠে সংবাদ সংগ্রহ করতে যায়,সারাদিন সংবাদ সংগ্রহ করেন।কোথায় গোসল,কোথায় ভাত? ল্যাপটপে বসে তারপর সংবাদ ভালোভাবে সম্পাদন করেন।সংবাদটি লিখেন তারপর ভালোভাবে বাছাই করে কোথাও ভুল আছে কিনা?
এর মধ্যে আবার একটি দূর্ঘটনার খবর এলে আবার ছুটে যেতে হয়।তথ্য সংগ্রহ করে আবার সত্য ঘটনা জনগনের সামনে তুলে ধরতে।
একটি সংবাদ তৈরি করতে কত জন লোকের কাছে যেতে হয়।প্রথমে বাদীর কথা,তারপর বিবাদির কথা,তারপর এলাকা বাসির কথা,তারপর চেয়ারম্যান, মেম্বার ,তারপর প্রশাসনের কথা।এই সংবাদ করতে কত কষ্ট করতে হয়।প্রত্যেক মানুষের কাছে আলাদা আলাদা করে কথা বলতে জানতে হবে।এতে কতো টুকু সময়ের প্রয়োজন।এরপর সংবাদ প্রকাশিত হলে হুমকি দামকি আছে।সাংবাদিক তো রাষ্ট্রের ৪র্থ স্তম্ভ।একজন শ্রমিক যদি প্রতি মাসে বেতন পাই তবে সাংবাদিক পাবেনা কেনো।টাকার আশায় সাংবাদিক করেনা, করে সম্মানের জন্য।সত্য ঘটনা তুলে দরে অসহাই মানুষের কথা বলে।
রোদ্র নেই, বৃষ্টি নেই, পানি নেই ২৪ ঘন্টা গাধার মত খেটে থাকে। কোন লোককে জীবনে দেখেছেন কোমড় পানিতে নেমে অসহায় মানুষের কথা তুলে ধরতে।হ্যা যদি দেখে থাকেন সে একজন সাংবাদিক।যে সব সময় সমাজের জন্য কাজ করে যাচ্ছে।বিশ্বের দরবারে দেশকে চিনিয়ে দিতে সাংবাদিক এর ভূমিকা অতুলনিয়।
এতো কিছু করার পর যদি কেউ খুশি হয়ে দু চার টাকা দেয় তবে আপনারা বলেন চাঁদাবাজি করছে।আর যারা ঘরে এসি রোমে বসে কোটি কোটি টাকা হজম করছে তারা কি?
সাংবাদিক পেশা সর্ম্পকে জানতে চাইলে জয়যাত্রা টিভির সাংবাদিক শামসুল ইসলাম বলেন আমি মনে করি এটি একটি মহৎ পেশা।সাধারন মানুষের দুঃখ কষ্ট তুলে ধরার উন্নতম উপায়।এই পেশাতে দিনরাত। সব সময় ডিউটি থাকে।কিন্তু কাজের তুলনাই পারশ্রমিক কম।এতো অল্প বেতনে সংসান চালানো খুব কষ্ট দায়ক।
রাজশাহী বিএমএসএফ এর সভাপতি ও এশিয়ান টিভির রাজশাহী প্রতিনিধি আবু কাওসার মাখন বলেন
সাংবাদিকতা একটি সম্মানের পেশা।এটিই একমাত্র পেশা যা সকল স্তরের মানুষের কথা বলা যায়।মিনিষ্টার থেকে মুচি সবার সুখ দুঃখের কথা সমাজে তুলে ধরা যায়।
জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দুর্নীতি ও অপকর্মের চিত্র তুলে ধরে দেশ ও জাতির কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করতে কিছুতেই পিছপা হন না সাংবাদিকেরা। আর কোনো পেশায় এতো ঝুঁকি, হয়রানি ও নির্যাতনের নজির আছে কি না, জানা নেই। শুধু সাধারণ মানুষের অকৃত্রিম শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা, শত নির্যাতনের মধ্যেও এক ধরনের তৃপ্তি আর প্রশান্তি ভুক্তভোগী সাংবাদিককে আরো উৎসাহিত ও উজ্জীবিত করে তোলে। সাংবাদিকের পক্ষে সাধারণ মানুষের আস্থা, বিশ্বাস, শ্রদ্ধা, ভালোবাসা অর্জনের চেয়ে মূল্যবান আর কিছুই হতে পারে না। তবে দুঃখের বিষয় হলো ঐক্যের অভাবে নানা সমস্যা মোকাবেলা করতে সাংবাদিকেরা ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছেন।



কোন মন্তব্য নেই