Header Ads

  • সংবাদ শিরোনাম

    আমি বঙ্গবন্ধুর একজন আদর্শের সৈনিকঃমোঃ আব্দুল খালেক মুন্সী


    সিনিয়র রিপোর্টার,রাহাদ হোসেনঃ

    নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানাধীন কুতুবপুর ইউনিয়ন আওয়ামি যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আঃখালেক মুন্সী। তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন লড়াকু সৈনিক।তিনি প্রতিবেদকের সাথে একান্ত সাক্ষাতকারে বলেন, রাজনৈতিক অঙ্গনে তার হাতেখড়ি জননেতা এ কে এম শামীম ওসমান এমপি,নারায়নগঞ্জ-৪ এবং বঙ্গবন্ধুর ভালবাসায় চীরকাল বেচে থাকবার জন্য।আঃ খালেক মুন্সী বলেন, আমি বঙ্গবন্ধুকে খুব ভালবাসি।তিনি বঙ্গবন্ধুর জীবন আদর্শ নিয়ে তার মনের কথা ব্যক্ত করে বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ বৃহত্তর ফরিদপুর জেলার তৎকালীন গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়ার সম্ভ্রান্ত শেখ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম শেখ লুৎফর রহমান ও মাতার নাম সায়েরা খাতুন। পিতা-মাতার চার কন্যা এবং দুই পুত্রের সংসারে তিনি ছিলেন তৃতীয়। খোকা নামের সেই শিশুটি পরবর্তীতে হয়ে ওঠেন নির্যাতিত-নিপীড়িত বাঙালির ত্রাতা ও মুক্তির দিশারী।

    মুজিবের রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়েছিল ১৯৩৯ সালে মিশনারি স্কুলে পড়ার সময় থেকেই। এ বছর স্কুল পরিদর্শনে এসেছিলেন তদানীন্তন বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির মুখ্যমন্ত্রী শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক এবং পরবর্তিতে বাংলার প্রধানমন্ত্রী এবং এমনকি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকারী হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী। তিনি স্কুলের ছাদ সংস্কারের দাবীর উপর ভিত্তি করে একটি দল নিয়ে তাদের কাছে যান যার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তিনি নিজেই।

    ১৯৪০ সালে নিখিল ভারত মুসলিম ছাত্র ফেডারেশনে যোগ দেন। সেখানে তিনি এক বছর মেয়াদের জন্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৪২ সনে এনট্র্যান্স পাশ করার পর কলকাতা ইসলামিয়া কলেজে (বর্তমান নাম মাওলানা আজাদ কলেজ) আইন পড়ার জন্য ভর্তি হন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত এই কলেজটি তখন বেশ নামকরা ছিল। এই কলেজ থেকে সক্রিয়ভাবে ছাত্র রাজনীতি শুরু করেন।

    ১৯৪৩ সালে তিনি বেঙ্গল মুসলিম লীগে যোগ দেন এবং অগ্রণী কাশ্মিরী বংশদ্ভুত বাঙালি মুসলিম নেতা হুসেইন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সান্নিধ্যে আসেন।এখানে তার ছাত্র আন্দোলনের মুখ্য বিষয় ছিল একটি পৃথক মুসলিম রাষ্ট্র হিসেবে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন। ১৯৪৩ সনে বঙ্গীয় মুসলিম লীগের কাউন্সিলর নির্বাচিত হন।

    ১৯৪৪ সনে বর্তমান বাংলাদেশের কুষ্টিয়ায় নিখিল বঙ্গ মুসলিম ছাত্র লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনে শেখ মুজিব বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। তিনি কলকাতায় বসবাসকারী ফরিদপুরবাসীদের নিয়ে তৈরি “ফরিদপুর ডিস্ট্রিক্ট এসোসিয়েশনের” সেক্রেটারি মনোনীত হন। এর দুই বছর পর ইসলামিয়া কলেজ ছাত্র ইউনিয়নের মহাসচিব নির্বাচিত হন। ১৯৪৭ সনে অর্থাৎ দেশবিভাগের বছর মুজিব কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ইসলামিয়া কলেজ থেকে বিএ ডিগ্রী লাভ করেন। ভারত ও পাকিস্তান পৃথক হওয়ার সময়ে কলকাতায় ভয়ানক হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা হয়। এসময় মুজিব মুসলিমদের রক্ষা এবং দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য সোহরাওয়ার্দীর সাথে বিভিন্ন রাজনৈতিক তৎপরতায় শরিক হন।

    পাকিস্তান-ভারত পৃথক হয়ে যাওয়ার পর শেখ মুজিব পূর্ব পাকিস্তানে ফিরে এসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হন। ১৯৪৮ সালের জানুয়ারি ৪ তারিখে প্রতিষ্ঠা করেন পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্র লীগ যার মাধ্যমে তিনি উক্ত প্রদেশের অন্যতম প্রধান ছাত্রনেতায় পরিণত হন।

    বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে অনেক জেল-জুলুমের শিকার হয়েছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান এই বাংলাদেশে যতদিন রয়েছে ততদিন থাকবে, 
    একটি স্বাধীন দেশের স্বপ্ন যেভাবে বঙ্গবন্ধু দেখতেন সেভাবে অন্য কোন নেতা দেখতেন না যার চিন্তায় চেতনায় ছিল শুধু স্বাধীন বাংলাদেশ,

    আজ বাংলাদেশে ক্ষমতায় রয়েছেন আওয়ামী লীগ, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরে দেশের অনেক উন্নয়ন হয়েছে, সারা দেশের রাস্তা ঘাট, স্কুল,কলেজ,মাদ্রাসা সরকারিকরণ ও নতুন করে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে,

    আজ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্যাগী নির্যাতিত কর্মীদের ভাগ্যের কোন উন্নয়ন ঘটেনি, আজকে কিছু কিছু নেতা নিজেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কর্মী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাচ্ছেন, কিন্তু দুঃখের বিষয় তারা অন্তরে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করতে পারুক আর না পারুক কিন্তু মুখে মুখে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়ন করেছেন।

    আমার বঙ্গবন্ধু সাদাসিধে জীবন যাপন করতেন,বঙ্গবন্ধু জীবনে বিলাসিতা করতেন না বঙ্গবন্ধু রাষ্ট্রপতি হওয়ার পরেও তার বাসায় কোন প্রটোকল ছিল না। 

    বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করতে গেলে সাদাসিধে জীবনযাপন করতে হবে বিলাসিতা করে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়ন করা যাবে না। আমার বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত একটি দেশ একটি স্বপ্নের বাংলাদেশ।আমাদের তার আদর্শ মেনে চলা উচিত।

    আসুন বঙ্গবন্ধুর আদর্শে আদর্শিত হয়ে তার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলতে সাহায্য করি। একটি সুখী সমৃদ্ধ উন্নয়নশীল দেশ গড়ে তাকে উৎসর্গ করি। ওপারে মহান রাব্বুল আলামিন তাকে ভাল রাখুক আল্লাহুম্মা আমীন, জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু জয় হোক বাংলার মেহনতী মানুষের।

    মোঃ আব্দুল খালেক মুন্সীর ছোট ভাই বঙ্গবন্ধুর আরেকজন  রাজপথের লড়াকু সৈনিক মোঃ আব্দুল মালেক মুন্সী। আব্দুল মালেক মুন্সী বতর্মানে রোড এক্সিডেন্টে গুরুতর আহত। মোঃ আব্দুল মালেক মুন্সী তার ভাইয়ের সুস্থতা কামনা করে নারায়ণগঞ্জ কুতুবপুর বাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

    পরিশেষে মোঃ আব্দুল খালেক মুন্সী বলেন, আমি আজ নিজেকে গর্বিত মনে করি, কারণ আমি বঙ্গবন্ধুর শতবার্ষিকী  পেয়েছি।বর্তমানে করুণা ভাইরাসে সারাবিশ্ব আতঙ্কিত। তাই তিনি কুতুবপুর মানুষ যেন নিরাপদে বাচতে পারেন সেজন্য সকলকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এর দিক নির্দেশনা অনুযায়ি চলতে বলেছেন এবং আল্লাহুপাক রাব্বুল আলামীনের ইবাদত করতে বলেছেন।অবশেষে তিনি বলেন, আমি যতদিন বাচব বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কণ্যা দূর্নীতিমুক্ত ডিজটাল মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার কারিগর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নৌকা মার্কা প্রতীকের জয়ধ্বনি নিয়ে বেচে থাকব।

    কোন মন্তব্য নেই

    Post Top Ad

    Post Bottom Ad