করোনা যুদ্ধ আমারা জিতবই সরকারী নির্দেশ মেনে সবাই বাড়িতে থাকুন, জেলা প্রশাসককে সহযোগিতা করুন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি /
লক ডাউন এর ব্যাপারে মানুষের কোন পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই। আজকে গ্রামে ঘুরে দেখলাম চায়ের দোকানে, মোড়ে দিব্বি ভিড় আড্ডা। খোশ গল্প। তাস খেলা আর গল্প কোন বিকার নেই। একটাই কথা, ধ্যাৎ আমার কিচ্ছু হয় নি! একজন শিক্ষিত মানুষ এইসব আড্ডা, বা দোকান বন্ধ করতে বলায় তাঁকে দুকথা শুনিয়ে দেওয়া হলো। কিছুক্ষণ পর পুলিশ বাহিনী গাড়ি কথা শুনে একটু উত্তম মধ্যম লাগাতেই সব পটা পট বন্ধ হয়ে গেল।আবার কিছু পরে খুলে দেয় দোকান সত্যিকথা বলতে করোনা ভাইরাস নিয়ে যতটা ফেসবুকে বা ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় প্রচার সেটা অধিকাংশ গ্রাম এলাকার মানুষ বুঝতে চাইছে না। ভাবছে, আমি ভালো আছি। কিন্তু বুঝছে না, খারাপ যেদিন হবে, সেদিন সে শুধুমাত্র নয়, তার পরিবার এবং সঙ্গে সঙ্গে তার সংস্পর্শে আসা কাউকেই বাঁচানো যাবে না।
এখানেও তাই। কি ভিড় কি ভিড়। মনে হলো ঈদ বকরা ঈদের বাজার বা পূজোর বাজার। নাম কা ওয়াস্তে কিছু মানুষের মুখে কাপড়ের মাস্ক, যার কোন মূল্য নেই। আসলে সাধারণ মানুষ আমরা বুঝতেই চাইছি না, করোনার চরিত্রটি কি। একবার ছড়িয়ে গেলে আমাদের মতো হা ভাতে, দরিদ্র দেশে, মিনিমাম স্বাস্থ্য পরিষেবার দেশে,
এই দেশে প্রতিরোধ ই একমাত্র বিকল্প। প্রকৃত গ্রাম শহর লকডাউন একমাত্র বিকল্প। আজ সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার নশিপুর ঘোষ পাড়া মোড়ে মোড়ে মাইকে ঘোষণা করা হয়েছে। সকালে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
প্রচারে বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান তরিকুল ইসলাম। প্রতি টা ঘাটে নদী পাড়া পাড় প্রশাসক দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ।
প্রশাসনের কাছে অনুরোধ দৃষ্টি আকর্ষণ করছি গ্রামে বারঘরিয়া থেকে নশিপুর পর্যন্ত বিনা কাজে ছাড়া নদী পাড়া পাড় হবেন না। কেউ কোন টাই বুঝতে চাইছে না।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় আমরা যদি সচেতন হয় তাহলে আমরা মোকাবিলা করতে পারবো ।


কোন মন্তব্য নেই