Header Ads

  • সংবাদ শিরোনাম

    করোনা সমস্যায়, এনজিও গুলোর কিস্তি স্থগিত করা জরুরী।


    সম্পাদকীয় কলাম /

    বর্তমানে করোনা আতঙ্ক পরিস্থিতিতে বেশির ভাগ সমস্যায় পরছে গরীব অসহায়রা। সরকারের নির্দেশনা ও বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের প্রায় সব ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান, গার্মেন্টস, কলকারখানা, সহ সাধারণ শ্রমিকদের বিভিন্ন কর্মস্থল বন্ধ হওয়ার পথে। যাদের একদিন কাজ না করলে পেটে ভাত জোটে না, করোনার কারণে কাজ বন্ধ হলে তারা কি ভাবে এনজিও সংগঠনের কিস্তি চালাবে? এনজিও সংগঠনের নিয়ম অনুযায়ী দৈনিক, সাপ্তাহিক, মাসিক কিস্তিতে মোটা সুদে টাকা নিয়ে সংসারের হাল ধরার চেষ্টা করে গরীব অসহায় পরিবার গুলো। একদিন কিস্তি পরিশোধ না করতে পারলে অপমানিত হতে হয় কিস্তি গ্রহীতাদের। সকাল ৭টায় কিস্তির টাকা উত্তোলনের জন্য এনজিও কর্মী উপস্থিত হয় কিস্তি গ্রহীতার বাড়ীর উঠোনে। কিস্তি দিতে না পারলে অপমাণ করে কিস্তির টাকা না দেওয়া পর্যন্ত বাড়ীর উঠোনে বসে থাকে এনজিও কর্মীরা। এদিক সেদিক দৌড়া দৌড়ি করে কোন কূল না পেয়ে সামর্থবানদের ধারে ধারে ঘুরে হাওলাত অথবা অধিক সুদে টাকা এনে কিস্তি পরিশোধ করে।

    বর্তমানে করোনা পরিস্থিতিতে দেশের সকল মানুষের মনে আতঙ্ক বিরাজ করছে। যে যার মত নিজেকে বাঁচাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। আর এই মহূর্তে কাজের সকল ক্ষেত্র বন্ধ হওয়ার পথে থাকায় কিস্তির টাকা জোগাড় করতে পারছে না গরীব, অসহায় পরিবার গুলো। আর টাকা জোগাড় করতে না পেরে এনজিও কর্মীদের হাতে লাঞ্চিত হতে হচ্ছে তাদের। মাঝে মাঝে এনজিওর টাকা না দেওয়ায় অপমাণিত হয়ে কিস্তি গ্রহীতাদের আত্মহত্যা করার খবরও পাওয়া যায়। তাই করোনা সমস্যায় এনজিও সংগঠন গুলোর কিস্তি স্থগিত করাটা অত্যান্ত জরুরী।

    কিস্তিতে ঋণ নিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার গুলো, সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ সহ মানবাধিকার কর্মীদের পক্ষ থেকে আমি মোঃ আবুল কালাম আজাদ, এনজিওর কিস্তি গুলো স্থগিত করার জন্য বাংলাদেশ  সরকার, স্থানীয় প্রসাশন ও এনজিও সংস্থা গুলোর প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।

    কোন মন্তব্য নেই

    Post Top Ad

    Post Bottom Ad