বাঘায় ত্রাণ সহায়তা পেয়ে খুশি বাস শ্রমিক, নৃগোষ্ঠী ও চামড়া শিল্পের সাথে সম্পৃক্তরা
এ আই রবি, স্টাফ রিপোর্টার /
করোনা সংকটের কারনে বিপাকে পড়েছেন রাজশাহীর বাঘা উপজেলার নিম্ন আয়ের মানুষ। গত এক সপ্তাহ ধরে এসব পরিবারের বাড়িতে বাড়িতে চাল বিতরণ করছে প্রশাসন। এর বাইরে রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তিগতভাবেও অনেকে বিপাকে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে।
শনিবার (৪ এপ্রিল) সকালে উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে বাস শ্রমিক, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও চামড়া শিল্পের সাথে সম্পৃক্তদের ও বাঘা পৌর এলাকার নতুন বাস শ্রমিক ইউনিয়ন, উপজেলার আড়াপাড়া গ্রামের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এবং বাউসা এলাকায় চামড়া শিল্পের সাথে সম্পৃক্ত ১২০টি পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করেন বাঘা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাড. লায়েব উদ্দিন লাভলু ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিন রেজা। এ সময় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আল মামুন সহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা সাথে ছিলেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহিন রেজা জানান, দেশে করোনা সংকট সৃষ্টি হওয়ার পর থেকে সরকারিভাবে সবাইকে ঘরমুখি হতে বলায় বিপাকে রয়েছেন সমাজের অসহায় লোকজন। তাদের জন্য ত্রাণের ব্যবস্থা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বাঘায় এ পর্যন্ত ৫৪ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ এসেছে। এই চাল উপজেলার ২টি পৌরসভা ও ৭টি ইউনিয়নের মাধ্যমে ৫ হাজার ৪ শ’ পরিবারের মাঝে ১০ কেজি হারে বিতরণ করা হয়েছে। এ ছাড়াও ব্যক্তিগতভাবে অনেক বিত্তবান ত্রাণ সামগ্রী হিসাবে চাল, ডাল, লবন, পেঁয়াজ, আলু ও আটা বিতরণ করছেন।
চাল বিতরণ প্রসঙ্গে স্থানীয়রা জানান, করোনার কারণে দেশে অঘোষিত লকডাউন থাকায় চারদিকে যে সংকট তৈরি হয়েছে, এতে সরকারিভাবে কর্মজীবী দিন এনে দিন খাওয়া নিম্ন আয়ের লোকজনের মাঝে চাল-ডাল সহায়তা দেওয়ায় তারা কিছুটা হলেও স্বস্তি পেয়েছে। তবে বিপাকে পড়েছে মধ্যবিত্ত লোকজন। তারা না পারছেন সৃষ্ট সংকট ও অভাবের কথা কাউকে মুখ ফুটে বলতে, না পারছেন ইউনিয়ন পরিষদ কিংবা পৌরসভায় গিয়ে লাইন দিতে। এদের মাঝে বিকল্প কোন পদ্ধতিতে সরকারি সহায়তা দেয়া যায় কিনা, সে বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন স্থানীয় অনেকেই।


কোন মন্তব্য নেই