Header Ads

  • সংবাদ শিরোনাম

    কুমিল্লা জেলার ৭টি উপজেলায় পৌছে গেছে করোনাভাইরাস ।


    ডেস্ক রিপোর্ট / 
    কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন উপজেলায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার এক দিনেই জেলার ১৭টি উপজেলার মধ্যে ছয়টিতে নয়জন আক্রান্ত হয়েছেন।

    এ পর্যন্ত কুমিল্লার মোট ৭টি উপজেলায় করোনা আক্রান্ত পাওয়া গেছে। এর ফলে জেলা জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের পর কুমিল্লার পরিস্থিতিও ভয়বহ হয়ে পড়ছে।

    জানা গেছে, কুমিল্লার চান্দিনায় মঙ্গলবার এই প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। শনাক্ত হওয়া তরুণীর বয়স ১৯ বছর। সে উপজেলা সদরের মধ্য বাজারে অবস্থিত একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ল্যাব টেকনেশিয়ান।

    মঙ্গলবার তার করোনা পরীক্ষার রিপোর্টে পজেটিভ ফলাফল আসে। তবে করোনা আক্রান্ত ওই রোগীর কোনো উপসর্গ দেখা দেয় নি। চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.আহসানুল হক জানান, রোগীর অবস্থা স্থিতিশীল। তাকে চিকিৎসা পদ্ধতি ও পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

    আক্রান্ত তরুণীটি অবিবাহিত। ওই রোগী শনাক্ত হওয়ার পর আক্রান্তের এতবারপুরে তার গ্রামের বাড়িতে ৬টি পরিবারকে লকডাউন করে চান্দিনা উপজেলা প্রশাসন। এছাড়া তাকে বহনকারী পার্শ্ববর্তী মধুসাইর গ্রামের একজন রিকশা চালকের ১টি পরিবারও লকডাউন করা হয়।

    উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানাযায়, দেবীদ্বার উপজেলার নবিয়াবাদ গ্রামের করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী জীবন কৃষ্ণ সাহার মৃত্যুর আগে গত ৪ এপ্রিল চান্দিনার দত্ত ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে কয়েকটি পরীক্ষা করিয়েছিলেন। এসময় ওই মেয়েটি পরীক্ষার জন্য রোগীর রক্ত সংগ্রহ করেছিল।

    অপরদিকে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার সাহেবাবাদ ইউনিয়নের টাকুই ভূইয়া বাড়ীর এক যুবক গত ১১ এপ্রিল নারায়নগঞ্জ থেকে তার বাড়ীতে আসে। নারায়নগঞ্জে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ বেশী হওয়ায় ব্রাহ্মণপাড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাসহ স্বাস্থ্যকর্মীরা তাৎক্ষনিক ওই বাড়ীতে পৌছে।

    এরপর ঐ যুবকসহ তার পরিবারের ৬ সদস্যের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠান। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য কর্মকর্তার কাছে সুমনের করোনা ভাইরাসের রিপোর্ট পজেটিভ আসে।

    কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার রাজারখলায় এক যুবক নারায়ণগঞ্জ থেকে আসেন। সেখানে তার রুম মেট করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান।

    এরপর সে বিজয়পুর ইউনিয়নের ঐ গ্রামে চলে আসে । করোনা পরীক্ষায় তার ফল পজেটিভ আসে। তিনি করোনায় আক্রান্ত। ঐ যুবক বিভিন্নস্থানে ঘুরতেন এবং মসজিদের নামাজ পড়েছেন বলেও শোনা যাচ্ছে।

    মঙ্গলবার করোনাভাইরাসে তিতাস উপজেলায় তিনজন, দাউদকান্দিতে দুজন, বুড়িচং, ব্রাহ্মণপাড়া, চান্দিনা ও সদর দক্ষিণে একজন করে আক্রান্ত হয়েছেন।

    কুমিল্লার ডেপুটি সিভিল সার্জন ও জেলা করোনা বিষয়ক ফোকাল পারসন চিকিৎসক মো. সাহাদাত হোসেন আজ বেলা দুইটায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা জেলায় এ পর্যন্ত ১৬ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে তিতাস উপজেলায় আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা ছয় (বাবা, মেয়েসহ), বুড়িচংয়ে চারজন (একই পরিবারের তিনজনসহ)। এর মধ্যে দেবীদ্বার উপজেলার বরকামতা ইউনিয়নের জীবন কৃষ্ণ সাহা নামের একজন মারা গেছেন।

    কোন মন্তব্য নেই

    Post Top Ad

    Post Bottom Ad