Header Ads

  • সংবাদ শিরোনাম

    কর্মহীন অসহায় পরিবারকে নীরবে খাদ্য পৌঁছে দিচ্ছে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা


    স্টাফ রিপোর্টার, রাহাদ হোসেনঃবিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রকোপ দিন দিন বেড়েই চলছে এবং দেশ থেকে দেশান্তরে মহামারী আকার ধারন করেছে। প্রতিদিনই লক্ষ লক্ষ মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে ও ইতিমধ্যেই সারাবিশ্বে হাজার হাজার মানুষ করোনার ভয়াল থাবায় গ্রাস  করে ফেলেছে। মৃত্যুর সারি লম্বা আকার ধারন করেছে। সারা পৃথিবীর মানুষ আতঙ্কের মধ্যে দিন যাপন করছে।

    আমাদের দেশের করোনা ভাইরাস ভলায় রুপ ধারন করতে শুরু করেছে। প্রতিদিন হুহু করে বাড়ছে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা, মৃত্যুবরন করছে অনেকেই। বিশ্বব্যাপী এই ভাইরাসের এখনো কোন মেডিসিন আবিস্কার হয়নি। বিভিন্ন শহর লকডাউন করা হয়েছে, সকলকে নিজ গৃহে অবস্থান করতে বলা হয়েছে। দিনকে দিন মানুষ গৃহে অবস্থান করার ফলে আয় রোজগার বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

    এমাতাবস্থায়, মধ্যবৃত্ত, স্বল্প আয়ের মানুষ, দিনমজুর, শ্রমিক, খেটে খাওয়া মানুষ বিপাকে পরেছেন।  ঘরবন্দী মানুষ একদিকে আতঙ্কে রয়েছেন, অন্যদিকে রোজগার বন্ধ হওয়ায় খাবারের অভাব অনুভব করছেন। সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক এই সকল নিন্ম মধবৃত্ত শ্রেনীর  স্বল্প আয়ের মানুষকে ঘরে ধরে রাখতে চাইলে এই মুহুর্তে তাদেরকে খাদ্য সামগ্রী নিশ্চিত করত হবে।

    সরকারের পক্ষে হাজার হাজার কোটি টাকা সাধারণ মানুষের জন্য বরাদ্দ থাকলেও অসাধু কিছু জনপ্রতিনিধির কারনে এই সকল সরকারী অনুদান বা বরাদ্দ মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে না। বেশ কিছু এলাকায় পরিলক্ষিত হয় যে জনপ্রতিনিধিরা বিশেষ করে চেয়ারম্যান, মেম্বার ও কাউন্সিলর গন তাদের নিজেদের মধ্যে ভাগ বাটোয়ারা করে ভোগ করছেন। খাবারের অভাবে সাধারণ মানুষের মধ্যে চারিদিকে আহাজারি শুরু হয়েছে এবং তাদেরকে ঘরে ধরে রাখতে প্রসাশন হিমশিম খাচ্ছে।

    বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পরেছেন স্বল্প আয়ের মধ্যবৃত্ত পরিবারগুলো। তারা পারছেনা কারো কাছে হাত পেতে চাইতে, আবার ঘরবন্দী অবস্থায় না খেয়ে দিনাতিপাত করছেন। যদিও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মধ্যবৃত্ত শ্রেনীর মানুষকেও খাদ্য সামগ্রী নিশ্চিত করতে নির্দেশ দিয়েছেন।  কিন্তু আদৌ কি তা কতটুকু এগিয়েছে তা সকলের অগোচরেই রয়ে গেছে।

    করোনার এই ভয়াল পরিস্থিতির মাঝেও মানুষকে আশার আলো দেখাতে এগিয়ে এসেছেন রাজধানীর কদমতলী থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগ এর প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোহাম্মদ সাকোওয়াত হোসেন টিটু। রাতের বেলায় মধ্যবৃত্তের দরজায় দরজায় গোপনে খাদ্য সামগ্রী পৌছে কদমতলী থানার এই  উদীয়মান তরুন নেতা।  তিনি প্রায় প্রতিদিন রাতে কদমতলী ও যাত্রাবাড়ি থানাধীন বিভিন্ন ওয়ার্ডে বাড়ি বাড়ি গিয়ে গোপনে চাল, ডাল, আলু, পিয়াজ, তেল, লবন ইত্যাদি পৌছে দিয়ে মানবতার সেবায় এগিয়ে এসেছেন।

    সাকোওয়াত টিটু বলেন, আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে রাজনীতি করি। আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ঢাকা মহানগর দঃ এর সভাপতি আলহাজ্ব কামরুল হাসান রিপন ভাই আমার প্রেরনার বাতিঘর। তিনিও ঘরে বসে নেই। তারই ধারাবাহিকতা অনুস্বরনে এই মুহুর্তে সমাজের অবহেলিত ও নিপিড়ীত জনগনের পাশে দাড়াতে চাই। জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে সামান্য কিছু খাদ্য সামগ্রী বিপাকে পরা মানুষের মাঝে উপহার হিসেবে পৌছে দেওয়ার তোফিক পাওয়াই মহান রাব্বুল আলামীনের অশেষ রহমত। মানবতার সেবা করার এই সুযোগ জীবনে হয়তো আর নাও পেতে পারি। তাই যতটুকু সম্ভব এবং আমার তৌফিকের মধ্যে রয়েছে আমি চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি, ইনশাআল্লাহ।

    কদমতলী থানার তরুন মেধাবী সাবেক তুখোড় ছাত্রনেতা নেতা বিভিন্নভাবে মানুষের পাশে দাড়িয়ে নজির স্থাপন করেন। তারই প্রতিষ্ঠিত "বৃক্ষছায়া ফাউন্ডেশন" মানবতার সেবায় জনমনে ইতিমধ্যে সাড়া ফেলেছে।

    কোন মন্তব্য নেই

    Post Top Ad

    Post Bottom Ad