কুমিল্লা সিটির পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডে ৩ দিন ব্যাপী ঐতিহাসিক চরমোনাইর নমুনায় মাহফিলের প্রশাসনিক অনুমতি সম্পন্ন হল।
একথা জানালেন -মাহফিল বাস্তবায়ন কমিটির প্রশাসনিক যোগাযোগ ও মিডিয়া সচিব, নগর আইএবি সভাপতি এম এম বিলাল হোসাইন।
২১ নভেম্বর দুপুর ১ টায় ডিসি কার্যালয় থেকে স্বাক্ষরিত প্রশাসনিক অনুমোদন পত্র তিনি গ্রহন করেন।
এছাড়াও, মাহফিলে আগত মুসল্লীদের মাহফিল শোনার সুবিধার্থে ইতিমধ্যে মাঠ তৈরির কাজ চলছে পুরোধমে। ওযু-গোসল ও বিশুদ্ধ পানির জন্য পাম্প বসানো সম্পন্ন হয়েছে। নির্মান হচ্ছে টয়লেট, বাথরুম।
এছাড়াও থাকছে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা ক্যাম্প, নিরাপত্তা ক্যাম্প( প্রশাসনিক ও সেচ্ছাসেবী), ২০০ সেচ্ছাসেবক ও নিরাপত্তা কর্মী, আগত দেশবরেণ্য ওলামা মাশায়েখের জন্য বিশ্রামাগার, মেহমানখানা।
মুসল্লীদের সার্বিক সুবিধার্থে ১ লক্ষ বর্গফুটের বিশাল পেন্ডেলসহ থাকছে শতাধিক সাউন্ড সিস্টেম ও নিরাপত্তার জন্য থাকছে সিসি টিভির বেস্টনীসহ আধুনিক সকল ব্যবস্থাপনা।
এম এম বিলাল হোসাইন বলেন- ৩ ডিসেম্বর বাদ যোহর মাহফিলের উদ্ভোধনী বয়ান শুরু হলেও ৩০ নভেম্বরের মধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে বলে আশা করছি এবং ২ ডিসেম্বর তারিখেই মুসল্লীদের আগমনের ব্যাপকতা ঘটবে ইনশাআল্লাহ।
কুমিল্লা মহানগরীতে চরমোনাই নমুনায় ৩দিন ব্যাপী মাহফিল এবারই প্রথম অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এবং মাহফিলে প্রায় লক্ষাধিক মুসল্লীর উপস্থিতির সম্ভাবনা প্রবল।
এজন্য ব্যাপকভাবে চলছে কুমিল্লা মহানগর ও উত্তর জেলা ব্যাপী পোস্টারিং, ব্যানার, ফেস্টুন, তোরণ নির্মান ও রেকর্ডেড পাবলিসিটি।
৩ দিন ব্যাপী এ ইজতেমায় জাতীয় ও স্থানীয় প্রায় ৩০ জন দেশবরেন্য ওলামা মাশায়েখ আলোচনা পেশ করবেন।
প্রত্যাশিত সফলতার লক্ষ্যে একযোগে কাজ করে যাচ্ছেন পীর সাহেব চরমোনাইর নেতৃত্বাধীন কুমিল্লা মহানগর ও উত্তর জেলার আওতাধীন বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটি, আইএবি ও সকল সহযোগি সংগঠনের দায়িত্বশীল,কর্মী ও সদস্যবর্গ।
শান্তিপূর্ণ এই ইজতেমায় ইসলাম, দেশ ও মানবতাবাদী কুমিল্লাবাসী সর্বস্তরের জনসাধারনকে উপস্থিত থাকতে বিশেষভাবে আহবান করা হচ্ছে।
ইজতেমা ৩ ডিসেম্বর বাদ যোহর উদ্ভোধনী বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয়ে ৬ ডিসেম্বর বাদ ফজর আখেরী মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে।
কোন মন্তব্য নেই