Header Ads

  • সংবাদ শিরোনাম

    রাজশাহী নেসকোর সহকারী লাইনম্যান আকবর আলী আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ


    নেসকোর কর্মচারী সহকারী লাইনম্যান আকবর আলী'র বিরুদ্ধে "বিপুল পরিমান অবৈধ অর্থ- সম্পদের  মালিক হওয়ার" অভিযোগ উঠেছে। গত ৫ ডিসেম্বর' বৃহস্পতিবার ২০১৯  দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক, রাজশাহী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে পরিচয় গোপন রাখার শর্তে একজন লিখিত অভিযোগে এ তথ্য দিয়েছেন। লিখিত অভিযোগ মতে, নেসকোর একজন চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারীর অবৈধ আয়ের মাধ্যমে বিপুল পরিমান অর্থ-সম্পদ অর্জনের বিষয়ে অবহিত করা হয়। অভিযোগ ও সম্পদের বিবরণীতে বলা হয়,
    মোঃ আকবর আলী, সহকারী লাইন ম্যান (সাগর পাড়া অফিস), নেসকো রাজশাহী। ঠিকানাঃ রবের মোড়, আসাম কলোনী, ১৮ নং ওয়ার্ড, রাজশাহী মহানগর।

    তার সম্পদের বিবরণঃ
    ১). রাজশাহী মহানগরীতে তিনটি বাড়ী ; একটি দোতলা পাকা বাড়ী(আসাম কলোনী), দুইটি একতলা পাকা বাড়ী(আসাম কলোনী ও ছোট বনগ্রাম মৌজা)   ।
    ২). একাধিক স্থানে জমি (ভুগরইল ভুমি অফিসের পাশে ও রহনপুর-সহ বিভিন্ন জায়গা) ।
    ৩) অগ্রনী ব্যাংক  ওয়াপদা শাখায় নিজের ও স্ত্রীর নামের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বিপুল পরিমান টাকা।
    ৪) মেয়ে ও জামাই এর স্থায়ী সম্পদ ও টাকা।
    ৫) ছেলের দামী মোটর সাইকেল ও টাকা ছিটিয়ে নেশা গ্রস্থ হয়ে উস্শৃঙ্খল চলাফেরা (বর্তমানে বাবা আকবর আলী নিজেই তাকে পুলিশের মাধ্যমে জেল খানায় পাঠিয়েছে)। সহ আরও অজানা সম্পদ যা তদন্তে সহজেই বেরিয়ে আসবে।

    অবৈধ অর্থের উৎস হিসেবে :
    ১).প্রতিটি মিটার সংযোগে গ্রাহকের কাছ থেকে ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা আদায়।
    ২). গোপনে সুদে টাকা খাটিয়ে ব্যবসা।
    ৩). জাতীয় বিদ্যুৎ শ্রমিক লীগের নেতা( যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক) হওয়ায় বিভিন্ন ধরনের নিয়োগ, বদলী, পদোন্নতি ও বিচার শালিশের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন ইত্যাদি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে আকবর আলী কোন প্রকার তথ্য ও সাক্ষাৎকার দিতে রাজী নন বলে জানান। অভিযোগের সত্যতার বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন রাজশাহীর সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, "অভিযোগ পেয়েছি, তালিকাভুক্ত করে হেড অফিসে অনুমোদনের জন্য পাঠিয়েছি, নির্দেশনা আসলেই তদন্ত করা হবে"।

    কোন মন্তব্য নেই

    Post Top Ad

    Post Bottom Ad