৩০জানুয়ারি নশিপুর ঘোষ পাড়া শ্রী শ্রী স্বরস্বতী পূজা মানব কল্যাণ সংস্থা আয়োজিত
চাঁপাইনবাবগঞ্জ স্টাফ রিপোর্টার নয়ন ঘোষ:
আগামী ৩০ জানুয়ারি ২০২০ইং, ১৫ মাঘ ১৪২৬ বাংলা রোজঃ বৃহস্পতিবার।
নশিপুর ঘোষ পাড়া মানব কল্যাণ সংস্থা আয়োজিত আমরা প্রতি বছর সরস্বতী পুজো করে আসি ছেলে মেয়ে রা তাই খুবই সুন্দর একটি পরিবেশে সরস্বতী পূজা করে আসছি।
#আমরা সরস্বতী পুজোর আগে কুল (বরই) খাইনা কেন?
সরস্বতী দেবীকে তুষ্ট করার জন্য মহামুনি ব্যাসদেব বদরিকাশ্রমে তপস্যা করবেন। তপস্যা শুরুর পূর্বে শর্ত ছিল তার তপস্যা স্থলের কাছে একটি কুল বীজ রাখতে হবে, যখন এই কুলবীজ অংকুরিত হয়ে চারা, চারা থেকে গাছ, গাছের ফুল হতে নতুন কুল হবে এবং সেই কুল পেঁকে ব্যাসদেবের মাথায় পতিত হবে সেইদিনই তার তপস্যা পূর্ণ হবে। মা সরস্বতী দেবী ও তুষ্ট হবেন।ব্যাসদেব ও সেই শর্ত মেনে নিয়ে তপস্যা শুরু করলেন।
ধীরে ধীরে বেশ কয়েক বছরে এই কুলবীজ অংকুরিত হয়ে চারা, চারা থেকে বড় গাছ, বড় গাছের ফুল থেকে নতুন কুল হয় এবং একদিন তা পেকে ব্যাসদেবের মাথায় পতিত হয়। তখন উনি বুঝতে পেরেছেন তার তপস্যা পূর্ণ হয়েছে।(কুল এর আরেক নাম বদ্রী,তপস্যার সাথে বদ্রী এর সম্পর্ক থাকায় ঐ জায়গার নাম বদরিকাশ্রম নামে প্রচার হয়ে যায়)
দিনটি ছিল শ্রীপঞ্চমীর দিন। সেদিন বেদমাতা সরস্বতীকে বদ্রী/কুল ফল নিবেদন করে অর্চনা করে তিনি ব্রহ্মসূত্র রচনা আরম্ভ করেন। এতে সরস্বতী দেবী তুষ্ট হয়েছিলেন। তাই সেই দিনের আগে আমরা কুল ভক্ষণ করি না। শ্রীপঞ্চমীর দিন সরস্বতী দেবীকে কুল নিবেদন করার পরেই কুল ভক্ষণ করি।
#মা সরস্বতী জ্ঞানের দেবী, বিদ্যার দেবী, ললিতকলার দেবী। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের এই বিশ্বাস যুগ যুগ ধরে বুকে ধারণ করে মা সরস্বতীর পূজা করে আসছে।
জ্ঞানের ছোঁয়ায় পূর্ণ হয়ে উঠুক সকলের জীবন।
###(জয় মা সরস্বতী)###


কোন মন্তব্য নেই