শীতে কাঁপছে দেশ, তীব্র শীতে একটু উষ্ণতার জন্য আগুন পোহাচ্ছে গ্রামের শিশুরা।
সাংবাদিক এম.জে.এ মামুন।
সারাদেশে বয়ে গেছে দুর্বিসহ শীত। ঘনকুয়াশার চাদরে ঢেকে ছিলো গোটা দেশ, সেই সঙ্গে বয়েছে উত্তরের হিমেল বাতাস।এমনই কাঁপুনি তোলা শীতের বাতাস বয়েছে বেশ কয়েক দিন । ঠান্ডা
বাতাসে কাবু হয়েছে সারা দেশের মানুষ। রাতভর গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মতো ঝরেছে কুয়াশা। সকাল বেলা দাঁতে দাঁতে ঠুকাঠুকি হয়েছে মানুষের। কষ্ট হয়েছে কথা বলতে। শীতে কেঁপেছে দেশের সর্বস্তরের মানুষ। হিমেল হাওয়ার সাথে দেশ ব্যাপি মাঝারী থেকে ঘন কুয়াশা শীতের মাত্রাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। অব্যাহত শীতের দাপটে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিল দেশের মানুষ। তাপমাত্রা ওঠা-নামার খেলায় এই শীতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছিল খেটে খাওয়া মানুষেরা।
বাতাসে কাবু হয়েছে সারা দেশের মানুষ। রাতভর গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মতো ঝরেছে কুয়াশা। সকাল বেলা দাঁতে দাঁতে ঠুকাঠুকি হয়েছে মানুষের। কষ্ট হয়েছে কথা বলতে। শীতে কেঁপেছে দেশের সর্বস্তরের মানুষ। হিমেল হাওয়ার সাথে দেশ ব্যাপি মাঝারী থেকে ঘন কুয়াশা শীতের মাত্রাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। অব্যাহত শীতের দাপটে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিল দেশের মানুষ। তাপমাত্রা ওঠা-নামার খেলায় এই শীতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছিল খেটে খাওয়া মানুষেরা।
এমনই দিনে শীতের তীব্রতা থেকে রক্ষা পেতে একটু উষ্ণতার জন্য খড়-কুটো দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে আগুন পোহাচ্ছে গ্রামের কয়েক জন শিশু। গত ১২/০১/২০২০ গ্রামের এ দৃশ্যটি দেখে লোভ সামলাতে পারলাম না। সাথে সাথে ক্যামেরা বন্দি করে ফেললাম।
শীতের সকালের এই দৃশ্যটি বড়ই চমৎকার একটি দৃশ্য। এক সময় শীতের দিনে গ্রামের সাধারণ মানুষগুলো সকাল হলেই এমনিভাবে আগুন জ্বালিয়ে বসতেন।শীত থেকে বাঁচতে প্রতিদিনই খড়-কুটো দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে তাপ নিতেন, আগুন পোহাতেন। এটি শীতের দিনের গ্রামের একেবারে অনবদ্য এবং প্রাকৃতিক এক দৃশ্য ছিলো। শীতের সকালে গ্রামের চারিদিকে এমন দৃশ্য দেখা যেতো। কিন্তু এখন আর তেমন একটা দেখা যায় না।


কোন মন্তব্য নেই