ভেলরে হিজরা আতঙ্কে বাঙ্গালিরা ; চিকিৎসার টাকা ছিনতাই।
সৌমেন মন্ডল
তামিলনারু ভেলর থেকে ।
হিজরাদের কে বলা হয় তৃতীয় লিঙ্গ।তারা ঈশ্বরের দান। তাদের আশির্বাদ সব সময় সত্য হয় কিন্তু যখন ওরাই অবিষাপ হয়ে উঠে তখন কি উপায়।ভেলরে চিকিৎসা নিতে আশা ৯০%আমজনতা বাঙ্গালি।তারা জীবন বাঁচানোর শহরে এসেছে চিকিৎসা করতে।এদের মধ্য কেউ ওয়েষ্ট বেঙ্গল আবার কেউ বাংলাদেশি।কিন্তু এই চিকিৎসা করতে এসে পড়ছে হিজরাদের কবলে।ছিনতাই করে নিচ্ছে চিকিৎসার সব টাকা।বাংলাদেশ থেকে আশা সুব্রত সাহা দিনাজপুর এ বাড়ি অপরজন আকতার খুলনা থেকে এসে চিকিৎসা করতে।
তাদের দেওয়া তথ্যমতে গত ৯ মার্চ ২০২০ দুজনে টিপুসুলতান দূর্গ দেখে লজে আসার সময় ওবার ব্রিজে দুজন হিজরা টাকা চাই তারা দশ টাকা করে দিতেই পাশে দেখে ১০/১৫ জন হিজরা কোথা থেকে এসে চারিপাশ ঘিরে নিয়েছে। বলছে যা আছে সব দে,প্রথমে মোবাইল গুলো নিয়েছে পরে পকেট থেকে একজনের কাছে চার হাজার ছিল তিন হাজার নিয়ার পর এক হাজার ফিরত দিয়েছে আর একজনে কাছে ছি একলক্ষ সাত হাজার ওকে দু হাজার ফিরত দিয়েছে এবং পরে মোবাইল দুটো দিয়েছে ওদের। প্রত্যাক্ষ দর্শিরা বলেন আমরা ওদের ছবি তুলবো বলে প্রথমে মোবাইল এবং পরে টাকা গুলো নিয়ে নেই আমরা বাংলাদেশি চিকিৎসার জন্য এসেছি খুনে আকতার ভাইকে দু হাজার আমাকে এক হাজার ফিরত দেই।তারা বলেন এমন ঘটনা প্রায় ঘটে এখানে বাঙ্গালি দেখলেই টাকা কেড়ে নেয়।তারা আরও বলেন ওদের টার্গেট শুধু ছেলেদের মেয়েদের কিছু বলেনা।
আরএকজন ভুক্তভোগি পুর্বমেদীনিপুর এর সাইদাপট লোকনাথ লজ এর ৪ নম্বর রুমের অহনা মজুমদার বলেন গত দু দিন আগে তার বাবা ঔ একোই রাস্তা দিয়ে আসছিল হিজড়ারা তার বাবার কাছ থেকে এগারো হাজার টাকা নিয়ে নিয়েছে।
এ বিষয়ে ভেলর থানার পুলিশের কাছে জানতে চাইলে বলেন "হ্যামকো প্যাচ ইজ বারেমে কোই অভিযোগ নেহি কিয়া।বাট হ্যাম কুচ দিন ছে সুনরাহা উচ ফ্লাই ওভার মে কুচ হিজরারা রুপিয়া লেকার বাগ গিয়া। হ্যামলোক উচপার লজর রাখরাহাহু।
তবে কি ওদের টার্গেট শুধু যারা জীবন বাঁচানোর জন্য এ শহরে এসেছে তাদের উপর।যারা হাজার হাজার মাইল পথ পারি দিয়ে জীবন বাঁচানোর জন্য যে টাকা এনেছে তা যদি সব ছিনতাই হয় তবে কি করে করবে চিকিৎসা।
এখান কার প্রশাসনের উচিত যারা চিকিৎসার জন্য এসেছে তাদের নিরাপত্তা দেওয়া কারন যারা এখানে এসেছে সবার ই-ফর্ম থানাতে এন্টি করা আছে।থানাতে সকলের পরিচয় ও কোথাই থাকছে কোথাই চিকিৎসা করছে সব তথ্য থানাতে দেওয়া আছে।


কোন মন্তব্য নেই