Header Ads

  • সংবাদ শিরোনাম

    দেবিদ্বারে ফারুক মেম্বারের দোকানে সন্ত্রাসী হামলা; নগদ অর্থ সহ দোকানের মালামাল লুটপাট।

    বিশেষ প্রতিনিধিঃ

    দেবিদ্বার উপজেলা'র ২নং ইউসুফ ইউপিস্থ এগারগ্রাম বাজারে ফারুক মেম্বারের দোকানে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে নগদ অর্থ সহ দোকানের মালামাল লুটপাট এবং দোকানের মালিক কর্মচারিদের বেধর্ক মারধর করেছে একদল স্থানীয় সন্ত্রাসী।

    খুজ নিয়ে জানা যায় ইউছুফপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের বর্তমান মেম্বার এবং অতি প্রাচীনতম সুনামধন্য এগারগ্রাম বাজারের বিশিষ্ঠ কাপর ব্যবসায়ী ও মোগসাইর গ্রামের কৃতি সন্তান শেখ ওমর ফারুক মেম্বার। তিনি দীর্ঘদিন উক্ত বাজার কার্যকারী পরিষদের ক্যাশিয়ার হিসাবে দ্বায়িত্ব রত ছিলেন এবং বর্তমান কমিটির উপদেষ্ঠা পরিষদের সদস্য।

    উক্ত হামলাকারী সন্ত্রাসীরা একই এলাকার বাসিন্দা। তারা হলেন মোঃ মামুন ও মোঃ মেমেন, পিতা- মৃত বজলুমিয়া; মোঃ কামাল হোসেন ও মোঃ বাশার পিতা- মোঃ নোয়াব মেম্বার; আরিফুল ইসলাম ওরফে বড়মিয়া পিতা- মৃত বাবুল ফকির; মোঃ সাকিল, পিতা- মৃত শাহ আলম; মোঃ বিল্লাল হোসেন, পিতা- মৃত যদুমিয়া; মোঃ হেলাল পিতা- আবু তাহের মোল্লা; মোঃ সুহেল(টেম্পু) পিতা- মৃত রাজ্জাক; মোঃ শুরুজ মোল্লা, পিতা- অজ্ঞাত; মোঃ আবু তাহের, পিতা- মৃত বজলুমিয়া; মোঃ জাহাঙ্গীর, পিতা- মৃত আবিদ আলী সহ আরও দশ পনের জনের একটি সংঘবদ্ধ জুটির মাধ্যমে এলাকায় সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজী, ঘুস, মাদক এবং বিভিন্ন অসামাজিক অনৈতিক কার্যকলাপে লিপ্ত। তাদের এসকল অনৈতিক কাজে বাধা দিলেই শুরু হয় অত্যাচার নির্যাতন ও হামলা। 

    জানা যায় গত ১৩/০৩/২০২০ ইং তারিখে  এগারগ্রাম বাজারে মায়ের দোয়া বস্রালয়ে উক্ত কুখ্যত সন্ত্রাসীরা দেশীয় অস্ত্র-সস্র নিয়ে ফারুক মেম্বারের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে তাকে ও তার বাবা সহ দোকানের কর্মচারীদের মারাত্বক আহত করে এবং উনার কাপড়ের দোকানে লুটপাট চালায়। এ সময় সন্ত্রাসী'রা উক্ত দোকানের ক্যাশে থাকা নগদ দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা ও মালামাল সহ প্রায় চার লাখ টাকা লুটপাট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনার পর খবর পেয়ে সাংবাদিক এম.জে.এ মামুন সংবাদ সংগ্রহ করতে আসলে তার উপরও সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে তাকে আহত করে এবং তার পকেট থেকে দুই লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয়। এ বিষয়ে মুখ খুললে প্রানে মেরে ফেলার প্রকাশ্য হুমকী দিয়ে সন্ত্রাসীরা চলেযায়। ঘটনা দেখে উপস্থিত শত শত জনতা ছিল নির্বাক।

    আরও জানা যায়, আহত ফারুক মেম্বারকে চিকিৎসার জন্য কুমেক হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় প্রেরন করেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন। অন্যান্য আহতরা বিভিন্ন হাসপাতালে প্রথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরেছেন।

    সন্ত্রাসীরা খুব চালাক প্রকৃতির, হামলা করার পর আবার আহতদের বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী সহ এলাকায় বুক ফুলিয়ে সংঘবদ্ধ হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং ভূক্তভোগীদের নানা প্রকার হুমকী ধমকী সহ প্রাননাশের হুমকী দিয়ে আসছে। তাদের ভয়ে আতঙ্কে রয়েছেন এলাকার সাধারণ জনগন। তাদেরকে আইনের আওতায় সঠিক বিচারের দাবী জানিয়েছেন এলাকার সচেতন ও ভূক্তভোগী জনগন।

    কোন মন্তব্য নেই

    Post Top Ad

    Post Bottom Ad