Header Ads

  • সংবাদ শিরোনাম

    রাজশাহীতে প্রথম করোনা রোগীর মৃত্য


    জ্যাষ্ঠ প্রতিনিধি / 
    আজ সকালে রাজশাহীতে প্রথম করোনা রোগীর মৃত্য হয়েছে।তিনি পেশায় একজন কুলা বিক্রেতা ছিলেন। রাজশাহীতে শনাক্ত হওয়া আটজন রোগীর মধ্যে সোবহান আলীরই সংক্রমণের উৎস সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারেননি চিকিৎসকরা। বাকি সাতজন এসেছেন ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজিপুর থেকে। সোবহানের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে রাজশাহীতে প্রথম করোনা আক্রান্ত কারও মৃত্যু হলো।

    রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা চিকিৎসক টিমের প্রধান ডা. আজিজুল হক আজাদ বলেন, সোবহানের শ্বাসকষ্ট ছিল। গত কয়েকদিন আগে তার অবস্থার অবনতি ঘটে। অনেক চেষ্টা করেও তাকে বাঁচানো যায়নি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা নির্দেশিত উপায়ে তার মরদেহ দাফনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এ জন্য কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনকে খবর দেওয়া হয়েছে বলেও জানান ডা. আজিজুল হক আজাদ।

    গত ১২ এপ্রিল থেকে সর্বশেষ গত সোমবার (২০ এপ্রিল) পর্যন্ত রাজশাহীতে মোট আটজনের করোনা শনাক্ত হয়। বাঘা উপজেলার এই বৃদ্ধের করোনা শনাক্ত হয় গত ২০ এপ্রিল। জ্বর ও প্রস্রাবের সমস্যার কথা বলে গত ১৭ এপ্রিল তিনি প্রথমে রামেক হাসপাতালে আউটডোর ইউনিটে চিকিৎসার জন্য আসেন।

    পরে হাসপাতালের ৪২ নম্বর ওয়ার্ডে তাকে ভর্তি করা হয়। শারীরিক সমস্যা অনুযায়ী সেখানে তাকে সেখানে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তাকে এক্স-রে করানো হলে করোনার কিছু উপসর্গ দেখতে পান চিকিৎসকরা। করোনা আক্রান্ত সন্দেহ হওয়ায় সাধারণ ওয়ার্ড থেকে করোনা ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয় তাকে। এরপর গত ২০ এপ্রিল তার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করলে তার শরীরে করোনা শনাক্ত হয়।

    সাধারণ ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালের চিকিৎসক-নার্স ও অন্য রোগীসহ অনেকেই তার সংস্পর্শে আসেন। নমুনা পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর হাসপাতালে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এবার ওই রোগীর স্ত্রী ও ছেলের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করে দেখা হয়। তবে তাদের ফালাফল নেগেটিভ আসে। এর পর কোনো ধরনের সুরক্ষা পোশাক ছাড়াই তার সংস্পর্শে এসেছিলেন এমন ৪২ জন চিকিৎসক-নার্স ও কর্মচারীকে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়। পরে ২২ ও ২৩ এপ্রিল রামেকের ল্যাবে তাদের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। রিপোর্টে দেখা যায় এই ৪২ জন করোনায় আক্রান্ত নন।

    গত ২০ এপ্রিল সর্বশেষ বাঘার এই বৃদ্ধেরই করোনা শনাক্ত হয়। এরপর রাজশাহীর কোনো ব্যক্তির করোনা শনাক্ত হয়নি। রাজশাহীর করোনা আক্রান্ত অন্য সাতজনের বাড়ি পুঠিয়া, বাগমারা ও মোহনপুর উপজেলায়। এই সাতজন নিজ নিজ বাড়িতেই আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাদের অবস্থা স্থিতিশীল। রাজশাহী মহানগরীতে এখনও করোনা আক্রান্ত কোনো রোগী শনাক্ত হয়নি।

    কোন মন্তব্য নেই

    Post Top Ad

    Post Bottom Ad