Header Ads

  • সংবাদ শিরোনাম

    দেবিদ্বারে প্রতিবন্ধী ও বিধবা ভাতা দেয়ার নামে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ।

    মোহাম্মদ উল্লাহ্ ভূইয়া(সোহাগ) /
    কুমিল্লা জেলার দেবিদ্বার উপজেলার ৬নং ফতেহাবাদ ইউনিয়নের ৭নং সাইচা পাড়া ওয়ার্ড এর এরশাদ মেম্বারের বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধী ও বিধবা ভাতা দেয়ার নামে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায় এরশাদ মেম্বার প্রতিবন্ধী ও বিধবা ভাতা দেয়ার নামে অসহায় গরিব লোকেদের কাছে থেকে প্রতিবন্ধী, বিধবা ভাতাসহ বিভিন্ন সরকারি সুবিধা দেয়ার নাম করে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। তারপরও তারা পাননি বিধবা কিংবা বয়স্ক, প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড। এসব স্বামীহারা বিধবারা এই বৃদ্ধা বয়সে অর্থের অভাবে নানা সংকটে ভুগছেন। বয়সের ভারে রোগেশোকে তারা ভারাক্রান্ত। চিকিৎসাতো দূরের কথা, তিন বেলা খাবার জোটানোও তাদের জন্য কষ্টকর হয়ে পড়েছে। এই বৃদ্ধ বয়সে বেঁচে থাকার জন্য তারা একটি বয়স্ক ভাতার কার্ডের জন্য ঘুরছেন ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বারের দ্বারে দ্বারে। শুধু বারবার সে আশ্বাসই দেয়, আজ হবে কাল হবে কিন্তু ২/ ৩ বছর ঘুরেও তাদের জন্য একটি বয়স্ক অথবা বিধবা ভাতার কার্ডের ব্যবস্থা করে দেননি। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, বয়স্ক ভাতা পাওয়ার ক্ষেত্রে নারীর বয়স সর্বনিম্ন ৬২ আর পুরুষের বয়স সর্বনিম্ন ৬৫ বছর। সে অনুযায়ী তারা বয়স্ক ভাতা, কিংবা বিধবা ভাতা পাওয়ার যোগ্য হলেও কেউ তাদের জন্য সহযোগিতায় এগিয়ে আসেনি। প্রতিবেশীরা জানান, প্রায় আট দশ বছর আগে অর্থ সংকটের কারণে চিকিৎসার অভাবে এসব মহিলাদের স্বামী মারা যান, গরিব স্বামীর সঞ্চয় বলতে কিছুই ছিল না। পেটের তাড়নায় তাদের ছেলে মেয়েরা যে যার মতো খেতমজুর ও শ্রমজীবী কাজের মাধ্যমে ক্ষুধা নিবারণে ব্যস্ত।
    এই বয়স্ক মহিলাদের ভাষ্যমতে এবিষয়ে যদি এরশাদ মেম্বার জড়িত থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষ আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে এই প্রত্যাশা সাধারন জনগনের।এরশাদ মেম্বারের বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধী, বিধবা ভাতা ও সরকারি বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দেয়ার নামে এসব গরিব অসহায় লোকদের কাছ থেকে অর্থ জালিয়াতির মৌখিক অভিযোগ করেছে, উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাকিব হাসান এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি করে খতিয়ে দেখা হলে অসহায় ভূক্তভুগী বয়স্ক মানুষগুলি সহায় হতো।

    কোন মন্তব্য নেই

    Post Top Ad

    Post Bottom Ad