করোনায় মধ্যবিত্তদের বুক ফাটে তো মুখ ফোটেনা
সৌমেন মন্ডল,রাজশাহী ব্যুরো /
বিশ্বে দিন দিন করোনা আকার আরও ভয়ানক হচ্ছে।করোনার কারনে আজ পৃথিবীর নর-নারি স্থমকে গেছে।মহামারি করোনা মানুষকে করেছে ঘর বন্ধি।আয় রোজগার থামিয়ে দিয়েছে।বাংলায় একটা প্রবাদ আছে ''মেয়েদের বুক ফাটে তো মুখ ফুটেনা'' মহামারি করোনায় সমাজের মধ্যবিত্তদের এখন এই অবস্থা।এই দুরদিনে সরকার,এমপি,মন্ত্রী,সমাজের বিত্তমানরা স্ব স্ব স্থান থেকে সাহায্য করে আসচ্ছে।আর ধনিরা ঘরে বসে গোছানো অর্থ ব্যায় করে দিন পার করচ্ছে।কিন্তু মধ্যবিত্তরা এখন নিম্মবিত্তদের চেয়েও করুন অবস্থা।
করোনার মোকাবেলায় নিম্নবিত্তরা সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সাহায্য-সহযোগিতা পেলেও মধ্যবিত্তদের বড় একটি অংশই অসহায়। স্বাভাবিক কাজকর্ম বন্ধ থাকায় তাদের আয়-রোজগার নেই। ফলে একদিকে খাবার কিনতেও পারছেন না, অপরদিকে সামাজিক মর্যাদার কারণে কারও কাছে চাইতেও পারছেন না। নীরবেই কষ্ট সহ্য করতে হচ্ছে। ৫টি মৌলিক চাহিদার ৪টি নিয়ে চিন্তিত তারা। বিশেষ করে খাবার ও বাসা ভাড়া নিয়ে তারা খুবই দুশ্চিন্তায়। অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, বর্তমানে মধ্যবিত্ত যে পর্যায়ে আছে, তা হয়তো সহনীয়। কিন্তু অচলাবস্থা দীর্ঘায়িত হলে এরাই সবচেয়ে বিপদে পড়বেন। তাদের মতে, দেশে পর্যাপ্ত খাদ্য আছে। তবে বণ্টন ব্যবস্থা খুবই খারাপ। আর মধ্যবিত্তদের কোনো পরিসংখ্যানও সরকারের কাছে নেই। ফলে এদের কাছে খাবার পৌঁছানো খুব কঠিন।
এরা ছোট বেসরকারি চাকরি, ছোট ব্যবসা এবং দৈনন্দিন কাজের ওপর নির্ভরশীল। করোনার কারণে দেশ লকডাউন হওয়ায় বর্তমানে এদের বড় অংশের আয়-রোজগার বন্ধ। এতে খাবার ও বাসা ভাড়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় তারা। কিন্তু সামাজিক সম্মানের কারণে কারও কাছে টাকা-পয়সা বা খাবার চাইতে পারে না। নীরবে দিন পার করতে হচ্ছে এদেরকে।
এদের কে কোন সাহায্য নিতে হলে রাতের অন্ধকারে নিতে হবে।যারা এদের পাশে দ্বারাতে চাই তাদের কেউ চক্ষুআরালে সাহায্য করতে হবে।


কোন মন্তব্য নেই