নারায়ণগঞ্জ জেলার মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের পরিবারগুলো বাসা ভাড়া নিয়ে দুশ্চিন্তায়
স্টাফ রিপোর্টার, রাহাদ হোসেনঃ নারায়ণগঞ্জ জেলা সহ দেশের প্রায় প্রত্যেকটি স্থানেই বসবাসকারী মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের ভাড়াটিয়াদের হতদরিদ্র মোট আয়ের ৬০ থেকে ৭০ ভাগই চলে যায় বাসাভাড়ায়। আর বছর ঘুরলেই যেন নতুন আতঙ্ক, বাড়িওয়ালার আদেশে এ মাসে আপনার (এত) টাকা বাসাভাড়া বাড়ানো হয়েছে।
কিন্ত’ কিছুই করার নেই, মাথাগোঁজার জন্য মুখ বুজে সহ্য করতে হয় সব। এর মধ্যে চীনের উহান শহর থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাস কোভিড -১৯ এর প্রাদুর্ভাবে কার্যত নারায়ণগঞ্জ জেলা শহর সহ পুরো দেশই লকডাউন চলতেছে। কারণ, আমাদের দেশেও করোনা মহামারী ভাইরাস আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা প্রায় তিন হাজারের কাছাকাছি এবং এখন পর্যন্ত পাওয়া মৃতের সংখ্যা ১০১। দীর্ঘ লকডাউন এর কারণে গরিব-অসহায়-মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
রোজগার বন্ধ নিম্নআয়ের মানুষের তিনবেলা দুমুঠো খাবারের জন্যই হাহাকার। নারায়ণগঞ্জ জেলা সহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে এমন অবস্থায় বাসাভাড়া পরিশোধ যেন মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা। তাই নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষের দাবি, সামনে মাহে রমজান কর্মহীন ও ঘর বন্দী পরিবারগুলোর কথা ভেবে বাড়িওয়ালারা যেন অন্তত পক্ষে ২ মাসের জন্য হলেও বাসাভাড়া মওকুফের ঘোষণা করুক।
এ ব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ জেলার জনদরদী নেতা নারায়ণগঞ্জ ৪- আসন সংসদ সদস্য আলহাজ্ব একেএম শামীম ওসমান বাড়িওয়ালাদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনার অন্ততপক্ষে হলেও ২ মাসের বাড়ি ভাড়া মওকুফ করে দেন। সেই নির্দেশনা মেনে ফতুল্লা থানাধীন কুতুবপুর ইউনিয়ন ৫ নং ওয়ার্ড মেম্বার মোঃ আলাউদ্দিন হাওলাদার তার নিজস্ব বাড়ি ভাড়া এবং দোকান ভাড়া মওকুফ করে দেন। এছাড়াও প্রবীন সাংবাদিক মোঃ খোকন প্রধান তার নিজস্ব কয়েকটি দোকানের ভাড়া মওকুফ করে দিয়েছে।
করোনা ভাইরাসের এই মহা বিপদে নারায়ণগঞ্জ জেলা সহ দেশের সকল স্থানের সকল বাড়িওয়ালা মানবিক দৃষ্টিতে অন্ততপক্ষে ২ মাসের বাড়ি ভাড়া মওকুফ করলে সাধারণ জনগণ উপকৃত হবে। পবিত্র মাহে রমজানের এই মাসে একে অপরের পাশে দূরত্ব বজায় রেখে পাশে দাঁড়াই। মানুষ মানুষের জন্য।তাই সকল বাড়িওয়ালা ভাইরা আসুন আপনার ভাড়াটিয়াদের বাড়ি ভাড়া মওকুফে যতটুকু পারেন সহায়তা করুন।


কোন মন্তব্য নেই