ক্ষুধার্ত মঞ্জিল হোসেনের পাশে দাঁড়ালে, - এএসআই কামাল হোসেন
স্টাফ রিপোর্টার, রাহাদ হোসেন /
মাগুরা খুলনার কৃতি সন্তান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কদমতলী থানার এএসআই কামাল হোসেন। তিনি বিএসএস অনার্স করেছিলেন মিরপুর বাংলা কলেজ থেকে। পুলিশ জনগণের বন্ধু। তার দৃষ্টান্ত প্রমাণ দিলেন, চৌকস পুলিশ অফিসার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কদমতলী থানার এএসআই কামাল হোসেন।বাড়ী ফিরতে না পারা মুন্সীগঞ্জের বাসিন্দা ক্ষুদার্ত মঞ্জিল হোসেন কে গতকাল ২০ এপ্রিল মানবিক হাত বাড়িয়ে দিলেন কদমতলী থানা পুলিশ এর এএসআই কামাল হোসেন।ঢাকায় বিশেষ কাজে এসে লকডাউনে আটকে যায় মঞ্জিল হোসেন। মিরপুর হতে পায়ে হেটে বাড়ী ফিরবেন সেই লক্ষ্যে কয়দিন মাজারে ঘুমিয়েছেন।খাবার জুটেনি ঠিকমতন। ভেবেছেন পোস্তগোলায় গেলে মুন্সি গঞ্জের গাড়ী পাওয়া যাবে ভাগ্যের নির্মম পরিহাস তাও জুটেনি।সেখান হতে কিছু লোক পরামর্শ দিলেন সাইনবোর্ড গেলে মুন্সীগঞ্জের গাড়ী পাওয়া যাবে। পকেটে টাকা নেই পথে গাড়ী নেই। পায়ে হেটে রওনা দিলেন সাইনবোর্ড কিন্তু ক্ষুধায়, ক্লান্ত, অচল অবসন্নতায় দীর্ঘদিন অসুস্থ হয়ে পথিমধ্যে অবচেতন হয়ে পড়ে যায় ছামড়া মসজিদের পাশেই। করোনা রোগী ভেবে কোন লোক সাহায্য করে নাই। মুখ তুলে তাকায়ও নাই। এক গ্লাস পানিও দেয় নাই। এসময় চৌকস পুলিশ অফিসার আত্ম মানবতার সেবক এএসআই কামাল হোসেন সামনে এগিয়ে আসেন। মঞ্জিল হোসেনের কাছে বিস্তারিত শুনে তারপর খাবার দেন। কিছু টাকা দিয়ে তারপর তার বাড়ী যাওয়ার ব্যবস্থা করে দেন। তার এই বিশেষ কাজের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন কদমতলী থানার আরেকজন মানবতার সেবক অসহায় গরীব মানুষের বন্ধু ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কদমতলী থানার চৌকস পুলিশ অফিসার ইনচার্জ জামাল উদ্দিন মীর। যিনি প্রতিনিয়ত কদমতলী বাসীকে করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সচেতনতার মেসেজ দিয়ে যাচ্ছেন এবং অসহায় বৃদ্ধ গরিব থেকে শুরু করে পথ শিশুদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য খাবার পৌঁছে দিচ্ছেন। এই মহৎ পুলিশ অফিসারদের চিরকাল স্মরণ রাখবে বাংলার জনগণ।


কোন মন্তব্য নেই