করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় মাঠে আছে করিমগঞ্জ থানার সুপারহিরো পুলিশ বাহিনী।
মোঃ জনি হোসেন করিমগঞ্জ /
করিমগঞ্জ উপজেলায় প্রাণ ঘাতী করোনা ভাইরাস সচেতনতায় করিমগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ইউনিয়ন বিভিন্ন পাড়া- মহল্লায় করিমগঞ্জ বাজারে মোড়ে মেইন রোডে গন পরিবহন গন সমাবেশ বিষয়ে হেঁটে হেঁটে সচেতন মূলক বার্তা পৌঁছে দেন করিমগঞ্জ থানার সার্কেল, সিনিঃ সহকারী পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মাহাবুবুল হক সজীব,ও করিমগঞ্জ থানার তদন্ত অফিসার (ওসি) নাহিদ হাসান সুমন।
সোমবার(২০ এপ্রিল) করিমগঞ্জ-তাড়াইল থানার সার্কেল,সিনিঃ সহকারী পুলিশ সুপার জনাব মাহাবুবুল হক সজীব ও করিমগঞ্জ থানার তদন্ত অফিসার(ওসি)নাহিদ হাসান সুমনের নেতৃত্বে সঙ্গী ও ফোর্স সহ প্রাণ ঘাতী করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় করিমগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম বিভিন্ন মোড়ে-বাজারে মেইন রোডে ইউনিয়ন পাড়া-মহল্লায় হেঁটে হেঁটে সচেতন মূলক বার্তা পৌঁছে দেন এবং গন পরিবহন চলাচল গন সমাবেশ জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কাউকে বাহিরে অবস্থান না করা বাজার দোকান পাট দোকানে ক্রেতাদের মাঝে দূরত্ব নিশ্চিত,বাজারের মধ্যে সাধারণ মানুষের মাঝে জনসমাগম সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত বজায় রাখা।এবং যাদের কোন কাজ নেই তারা অযথা বাইরে ঘোরা ফেরা না করা। দ্রুত বাজার করে বাসায় চলে যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা বিষয়ে সচেতনতা মূলক প্রচারণা চালান।
সিনিঃ সহকারী পুলিশ সুপার জনাব মাহাবুবুল হক সজীব জানান,করোনা প্রাদুর্ভাবের মধ্যে দেশের আইন শৃংখলা পরিস্থিতি নিকট অতীতের যে কোন সময়ের চেয়ে স্বাভাবিক থাকলে ও স্বস্তিতে নেই আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা।বিরামহীন ভাবে চলছে তাদের কর্মকান্ড। দেশের এমন সংকট ময় মুহূর্তে গতানুগতিক আইন শৃংখলা রক্ষার পরিবর্তে তারা সামাজিক দূরত্ব ও কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত সহ মানবিক নানান কর্মকাণ্ডে ব্যস্ত রেখেছে নিজেদের।আপনি ঘরে থাকুন, সচেতন থাকুন, নিজে বাঁচুন-পরিবার বাঁচান, দেশ বাঁচান। এভাবেই বাজার থেকে শুরু করে গ্রামাঞ্চলে গিয়ে এভাবেই মানুষকে সচেতন করার চেষ্টা করছে পুলিশ বাহিনী সীমাবদ্ধতা থাকা স্বত্ত্বেও করোনা প্রতিরোধের ক্ষেত্রে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে পুলিশ বাহিনী। পরিস্থিতি এবং পারি পার্শ্বিকতা বিবেচনায় হয়তো সব জায়গায় পুলিশের পক্ষে সর্বোচ্চ সেবা প্রদান করা সম্ভব নয়। তবে ইচ্ছা এবং সামর্থের কমতি রাখছে করিমগঞ্জ থানা পুলিশ।
করিমগঞ্জ উপজেলার মহামারি মরণব্যাধি করোনা ভাইরাস (কভিড-১৯) নিয়ে মাঠ পর্যায়ে সবচেয়ে বেশী কাজ করছে পুলিশ বাহিনী।আজ নিজের জীবন কিংবা পরিবারের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে আমরা যখন গৃহবন্ধি (হোম কোয়ারান্টাইনে) তখন এই সব পুলিশ সদস্যরা রাত-দিন রাস্তায়-রাস্তায় গিয়ে আইনশৃংখলা রক্ষার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সাথে মিশে দুই হাত উজাড় করে সহায়তার পাশাপাশি অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন।দেশের এই পরিস্থিতিতে যারা জীবনের এতো বড় ঝুঁকি নিয়ে দিন রাত কাজ করে যাচ্ছেন সারা বাংলাদেশ জুড়ে আজ তারাই সব চেয়ে অবহেলিত অবস্থায় আছেন। বাংলাদেশের যে কোন দুর্যোগের সময় আমাদের দেশের পুলিশ বাহিনী সব সময় সবার আগে এগিয়ে গিয়ে হাল ধরে এবং দেশ বিদেশে প্রসংশা কুড়িয়ে নেয়৷ আমাদের পুলিশ বাহিনী শুধু বাংলাদেশে নয় বহির্বিশ্বেও জীবন বাজি রেখে কাজ করে চলেন ও বাংলাদেশের জন্য বয়ে আনেন সুনাম। আবার এই পুলিশ বাহিনী পরিস্থিতির কারনে অনেক সময় শুনতে গাল মন্দ।
তিনি আরো বলেন,করোনা ভাইরাস ঝুঁকি নিয়েই ব্যস্ত দিন-রাত পার করছেন তারা।আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত এবং কোয়ারিন্টাইন নিশ্চিত করতে ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করতে হচ্ছে। এছাড়া বিভিন্ন জায়গায় জীবানুনাশক ছিটানো, ঘরের অবস্থান করা বাসিন্দাদের ঘরে নিত্য প্রয়োজনীয় খাবার পৌঁছে দেওয়া, হত দরিদ্রদের কাছে বিনামূল্যে খাবার পৌঁছে দেওয়া, অসুস্থ ব্যক্তিদের হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়া এবং চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মীদের কর্মস্থলে আসা যাওয়ার জন্য পরিবহন সুবিধা দেওয়াসহ নানান মানবিক কাজ করছে পুলিশ।
বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে যারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন দেশের মানুষের জন্য তখন তাদের হয়ে বলার কেউ নেই। বর্তমানে কোন পাড়া মহল্লায় বা বাসা বাড়ি থেকে খবর আসে যে এই বাসা বাড়ি বা পাড়া মহল্লায় করোনা ভাইরাসের লক্ষ্যণ এমন রুগী আছে তখন আর কেউ এগিয়ে আসে না তখন এই পুলিশ বাহিনীর সদস্যরাই এগিয়ে গিয়ে মৃত্যুর ভয় না করে তাদের কাছে ছুটে চলে যায় রুগীকে বাসা থেকে হাসপাতাল পর্যন্ত নিয়ে যান বাঁচানোর জন্য এমন কি কোন রুগী মারা গেলে বর্তমানে কেউ কাছে আসেনা তখন এই পুলিশ বাহিনীর সদস্যরাই জীবন বাজি রেখে মৃত ব্যক্তির দাফন কাফন সহ জানাজা করে কবরে চিরনিদ্রায় শায়িত করেন। কিন্তু তারা নিজেদের কথা একবার ও ভাবেন না যে উনারা ও মানুষ তাদের ও হতে পারে এই মরণ ব্যাধি রোগ যারা নিজের জীবনের পরওয়া না করে দিন রাত আনাচে কাছে প্রত্যত্ন অচঞ্চলে মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খুজ খবর করে কাঁধে বয়ে নিয়ে খাবার পৌঁছাতে ব্যস্ত আজ তারাই বড় অবহেলিত।
আমি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি, করিমগঞ্জ-তাড়াইল থানার সনামধন্য পুলিশ (সার্কেল) সিনিঃ সহকারী পুলিশ সুপার জনাব মাহাবুবুল হক সজীব ও করিমগঞ্জ থানার তদন্ত (ওসি) জনাব নাহিদ হাসান সুমন মহোদয়কে যে করিমগঞ্জ ও তাড়াইল সকল উপজেলায় এই মহামারী করোনা ভাইরাসের সংকটময় মুহূর্তে ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাড়ানো জন্য। বর্তমান পরিস্থিতিতে আমাদের করিমগঞ্জের সর্বত্র খুঁজে খুঁজে আপনি যে মানবতার ফেরিওয়ালা হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন তা করিমগঞ্জ উপজেলা বাসীর মনে স্বর্ণাঅক্ষরে লিখা থাকবে।আমার গর্বিত আপনার মতো নিঃস্বার্থ মানব দরদী একজন মহত মনের মানুষ পেয়ে। স্যালুট জানাই আপনি সহ করিমগঞ্জ থানার সকল পুলিশ সদস্যকে।


কোন মন্তব্য নেই