বিনোদপুর কালিগঞ্জ বহুবাজারের আতাউর মৌলবির ছেলে ধর্ষণ মামলায় আটক-১
শিবগঞ্জ প্রতিনিধি :
শিবগঞ্জের বিনোদপুর ইউনিয়নের কালিগঞ্জ (বহুবাজারে) ছেলের বাড়িতে মেয়ের বিয়ের দাবিতে অনশন করার পরে বিনোদপুর কালিগঞ্জ বহুবাজারের আতাউর মৌলবি ছেলে ধর্ষণ মামলায় আটক-১ করেন। মেয়েটি মোসা:রায়হানা খাতুন(২৩) পিতা:খাবিরুদ্দিন গ্রাম:কালীগঞ্জ
তার আত্মীয় স্বজনকে আসামির কুকর্মের কথা জানাই সন্ধ্যা অনুমানিক ৬:৩০মিনিট মেয়েটির পরিবারবর্গ আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে লইয়া বিবাহে্র দাবিতে আসামি১। ইকবাল হোসেন (বাবু) এর বাড়িতে অবস্থান করলে ইকবাল হোসেন(বাবু) সহ আপন ছোট ভাই ২। জুবায়ের হোসেন (সাব্বির)(২২) ৩। জাহিদ হাসান(ডলার)(৩০)উভয়ের পিতা:আতাউর রহমান ৪।আতাউর রহমান(৫৫)পিতা:মৃত আরজেদ আলি সকলের গ্রাম:কালিগঞ্জ(বহুবাজার) ডাকঘর বিনোদপুর ওয়ার্ড-১ থানা:শিবগঞ্জ জেলা :চাঁপাইনবাবগঞ্জ সহ অঙ্গাত নামা আরো ৩/৪ জন অসামীরা তাকে এলোপাথাড়ি কিল,ঘুষি মারপিট করে জখম করে এবং আসামিগণ তাকে টেনে হেচড়ে বাড়ির বাহিরে করিয়া দেয় বিষয়টি জানাজানি হলে। প্রতিবেশীরা ঘটনাস্হলে উপস্হিত হলে তার আত্মীয়রা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করিলে তাৎক্ষণিক শিবগঞ্জ থানার এ এস আই মো:আসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন।পুলিশের উপস্থিতিতে টের পেয়ে ১নং আসামী ঘটনাস্থল হতে পালিয়ে যায় উপরোক্ত ১/৪ নং আসামীগণ স্হানীয় গন্য মান্য মেম্বার ব্যাক্তিবর্গদের মাধ্যমে উপরোক্ত বিষয়টি ২৮/০৩/২০২০ তারিখের মধ্যে সমাধানের আশ্বাস প্রদান করে পরবর্তীতে অদ্য ৩০/০৩/২০২০ তারিখে বেলা ১১টার দিকে বিনোদপুর কলেজে সমাধানের জন্য সাবেক চেয়ারম্যান জনাব দেলোয়ার হোসেন এর সভাপতিত্বে শালিস বিচার অনুষ্ঠিত হয়।আসামিগণ শালিস বিচার অমান্য করে ১নং আসামী ইকবাল হোসেন (বাবু) তাকে বিবাহ্ না করার কথা সাফ জানান সকল আসামি গান শালিস হতে চলিয়া যায় শালিসের লোকজন মেয়েটি আইনের আশ্রয় গ্রহণ করার পরামর্শ দেন। আসামী ইকবাল মেয়েটির সরলতার সুযোগ লইয়া বিশ্বাস ভঙ্গ করে। মেয়েটিকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিবাহে্র আশ্বাস দিয়ে ফুসলাইয়া তার সহিত শারীরিক মেলামেশা করিয়া ধর্ষন করে। আসামী কু কর্মের করনে তার জীবনের কলংকের ছাপ ছড়িয়ে যায় ঘটনাটি পরিবারবর্গ আত্মীয়স্বজন সহিত আলাপ আলোচনা করার পর থানায় এজাহার দায়ের করা হয়। পরের দিন ছেলেটিকে ধর্ষণ মামলায় আটক করে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ
বর্তমানে মেয়েটি পরিবার অসহায় জীবন যাপনে করছে মেয়েটির পরিবারে দাবি প্রশাসনের কাছে। আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহন করা হক। কিছু দালাল চক্রের কারনে মেয়েটির জীবনে কলঙ্কের দাগ লেগে যায় টাকা,মান খাইয়ে কি সত্য ঘটনা ধামাচাপা দেয়া যাবে সত্য একদিন ঠিকই প্রকাশ পাবে।



কোন মন্তব্য নেই