Header Ads

  • সংবাদ শিরোনাম

    ফটিকছড়ির কাঞ্চননগরে নেতা শাহ আলম কর্তৃক এলাকাবাসীকে হয়রানীর অভিযোগ


    আলমগীর নিশান :

    ফটিকছড়ির পশ্চিম কাঞ্চননগর ৪নং ওয়ার্ড গুরামিয়া চৌধুরী বাড়ীর জনৈক শাহ আলম প্রকাশ নেতা শাহ আলম কর্তৃক এলাকাবাসীকে মামলা-হামলা করে হয়রানী, জোরপূর্বক জায়গা দখল, প্রকাশ্যে দা, চোরা, বল্লম, লোহাররট নিয়ে ভয়-ভীতি দেখানোর অভিযোগ উঠেছে।

    পহেলা ডিসেম্বর বিকালে গুরামিয়া চৌধুরী বাড়ীতে
    শাহ আলমের পরিবারের কাছে হয়রানীর শিকার হওয়া এলাকাবাসীরা সম্মিলিতভাবে তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভা করেন।

    এছাড়াও মোঃ ইউনুছের ছেলে শহিদুল আলম বাদী হয়ে শাহ আলম, তার ছেলে জয়নাল প্রকাশ (আইএস), ভাইপুত্র জিসান হায়দারের নামে থানায় মামলা দায়ের করেন। এছাড়াও তার ছোট ভাই প্রবাসী হারুন প্রকাশ গরমসাবও তার ছোট ছেলে প্রবাসী ফখরুলের বিরুদ্ধেও ২০/২৫ পরিবারকে হয়রানীর অভিযোগ করেন এলাকাবাসীরা।

    ভুক্তভোগীরা জানান, শাহ আলম গায়ের জুরে তার পার্শ্ববর্তী মৃত মোঃ ইউনুছের ছেলে শহিদুল আলমের মৌরশী জায়গার উপর জোরপুর্বক দালান নির্মান করে যাচ্ছে এর প্রতিবাদ করলে তিনি শালিশী বৈঠকে জনসম্মুখে তার মাথা ফাটিয়ে দেয়। এমনকি মামলা করতে গেলে প্রভাবশালী লোক দিয়ে মামলা নিতে থানাকে নিষেধ করে।

    এছাড়াও উক্ত শাহ আলম বাইন্যাপাড়ার তপন, হাজী বশর ও সৈয়দুল হকের পরিবারের সবাইকে মামলা দিয়ে হয়রানী করে যাচ্ছে এবং রামদেবেরঘুন ক্ষেত্র মহাজনের বাড়ীর মাষ্টার পরিমল কান্তি মহাজনের  দেড়কানি জায়গা জোরপুর্বক দখল করে নিয়ে নিছে বলে জানা যায়। এমনকি তার ছোট ভাই নুর আলম ও মোঃ শফির ভিটেও তাদের মা মারা যাওয়ার আগেই ফুশলিয়ে নিয়ে নেয় শাহ আলম।

    এনাম চৌধুরী জানান, তার ছেলে জয়নাল প্রবাস থেকে মসজিদের জন্য টাকা উঠিয়ে তা মেরে দেয়। এছাড়াও জঙ্গী সংগঠন আইএসের সংঙ্গে তার সম্পৃক্ততা রয়েছে বলেও তারা জানান। শাহ আলমের পরিবার ২/৩ আগে নিঃস্ব থাকলেও হঠাৎ আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছেন বলে জানা যায়।

    এ ব্যাপারে জানতে চাইলে শাহ আলমের ভাই প্রবাসী হারুন এসব জায়গা জমিন নিয়ে বিরোধ বলে জানান। অন্যদিকে শাহ আলমের ছেলে প্রবাসী জয়নাল তার কাছে ৩টি পাসপোর্ট আছে বলে উল্লেখ করে তাদের বিরুদ্ধে করা সকল অভিযোগ মিথ্যা বলে জানান।

    কোন মন্তব্য নেই

    Post Top Ad

    Post Bottom Ad