Header Ads

  • সংবাদ শিরোনাম

    করিমগঞ্জে কলেজ ছাত্রীর আত্মহত্যা সুইসাইড নোটে অনেক কিছু লিখে গেছে।

    মোঃ জনি হোসেন কিশোরগঞ্জ।

    কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার পালইকান্দা গ্রামে নাজমা আক্তার নাদিরা (২২) নামের এক কলেজছাত্রী আত্মহত্যা করেছেন। প্রেমিক শরিফের (৩০) সাথে বুধবার তার বিয়ের কথা ছিল। কিন্তু সেদিন শরিফ অন্য নারীকে বিয়ে করে ঘরে তোলেন। এ ঘটনার জেরেই নাদিরা আত্মহত্যা করেন বলে স্বজনদের দাবি।

    এ ঘটনায় করিমগঞ্জ থানায় পাঁচজনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। সূত্র জানায়, নাদিরা করিমগঞ্জের গুজাদিয়া ইউনিয়নের পালইকান্দা গ্রামের কৃষক মো. শামসুদ্দিনের মেয়ে। তিনি কিশোরগঞ্জ পৌর মহিলা কলেজে হিসাব বিজ্ঞান শাখার দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন।
    ৪/৫ বছর আগে নাদিরার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে স্থানীয় যুবক শরিফের সাথে। তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্কের সুবাদে নাদিরা দু’দফা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। এসময় বিয়ের জন্য চাপ দেয়া হলে শরিফের পরিবার গর্ভপাত করানোর শর্ত দেয়। কিন্তু তা মেনে নিলেও শরিফ বিয়ে করেননি। সামাজিক চাপে একপর্যায়ে তাদের বিয়ের জন্য বুধবার দিনধার্য্য হয়। সেদিন শরিফ অন্য মেয়েকে বিয়ে করে আনেন।

    স্বজনরা জানান, শরিফের বিয়ের খবর শুনে নাদিরা সেখানে যান। তাকে নানাভাবে অপমান করা হয়। লাঞ্ছনার শিকার হয়ে বাড়িতে ফিরে নাদিরা বুধবার সন্ধ্যায় একটি গাছের ডালে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন।করিমগঞ্জ থানার এসআই সোহেল রানা জানান, কলেজ ছাত্রী নাদিরা সুইসাইড নোটে অনেক কিছু লিখে গেছেন। তিনি কিভাবে প্রতারণা ও হয়রানির শিকার হয়েছেন তা জানিয়েছেন। তথ্য-প্রমাণ বিবেচনায় মামলা হয়েছে।নাদিরার ভাই নজরুল ইসলাম বাদি হয়েছেন। আসামি করা হয়েছে হাতিমারা গ্রামের শরিফ (৩০), তার স্ত্রী কাজল (২২), বোন জেরিন আক্তার (১৬), ভাই মো. আরিফ (১৫), মা বিকুলা আক্তার (৫০) ও বাবা রেনু মিয়াকে (৬০)।করিমগঞ্জ থানার ওসি মো. মমিনুল ইসলাম জানান, ময়নাতদন্তের পর লাশ দাফন করা হয়েছে। আসামিদের মধ্যে একজনকে আটক করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে

    কোন মন্তব্য নেই

    Post Top Ad

    Post Bottom Ad