Header Ads

  • সংবাদ শিরোনাম

    করিমগঞ্জ থেকে মাদক,সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ নির্মূল করে প্রশংসায় ভাসছেন ওসি মুমিনুল হক

    মোঃ জনি হোসেন কিশোরগঞ্জ।

    কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ থানা এলাকা থেকে মাদক,সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ নির্মূল সহ অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সততার সাথে অফিসার ইনচার্জের দ্বায়িত্ব পালন করায় ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ঢাকা রেঞ্জের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় থাকে ঢাকা রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ (ওসি) হিসেবে করিমগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুমিনুল হক কে ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত নেতৃবৃন্দ আনুষ্ঠানিক ভাবে তার হাতে সম্মাননা ক্রেষ্ট ও পুরস্কার তুলে দেন।

    মুমিনুল হক করিমগঞ্জ থানায় যোগদানের পর থেকেই পুলিশের কঠোর নজরদারি ও তৎপরতায় দিশেহারা হয়ে পড়েছে মাদক ব্যবসায়ী সহ জড়িতরা। করিমগঞ্জ থানা পুলিশের একের পর এক অভিযানে বড় বড় মাদকের চালান ধরা পড়ছে। ধরা পড়ছে মাদক ব্যবসায়ীরাও।করিমগঞ্জ উপজেলার স্থানীয় লোকজন বলেন, ওসি মুমিনুল হক এর মতো একজন সৎ ন্যায়নিষ্ঠা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে বজ্রকন্ঠী আওয়াজ তোলা পুলিশ কর্মকর্তা পেয়ে আমরা সত্যিই ধন্য।

    করিমগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুমিনুল হক বলেন,বর্তমান সরকার গণমানুষের বন্ধু, সরকার আমাদের পাঠিয়েছেন মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে, মানুষের সাথে মিলেমিশে তাদের সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করে নিতে।আমরা মানুষের অতন্ত্র প্রহরী,আমাদের কাজ হচ্ছে দেশকে মাদক,সন্ত্রাস,জঙ্গিবাদ   চাঁদাবাজ,ইভটিজার মুক্ত করে মানুষের মাঝে শান্তি ফিরিয়ে আনা। আমার কাছে ধনী-গরীব, রিক্সাচালকসহ সব শ্রেণী-পেশার মানুষ সমান। একজন নির্যাতিত মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল হলো পুলিশ। আর আমরা যদি তাদের আশ্রয় এবং সমস্যা নিরসন না করি তাহলে কে করবে। “পুলিশ জনতার, জনতা পুলিশের” আমি এই স্লোগানকে সামনে রেখে এবং সাধারণ মানুষের দোয়া ও ভালোবাসা নিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশকে মাদক, জঙ্গি, সন্ত্রাস মুক্ত করতে এগিয়ে যাবো।

    তিনি আরো বলেন, আমরা অতন্ত্র প্রহরী হিসেবে রাত জেগে থাকি শুধু জনগণ শান্তিতে ঘুমাবে বলে,আমাদের ঈদের ছুটিও নেই শুধু জনগণ যাতে তাদের ঈদকে সুন্দর, সুশৃংখল এবং শান্তিতে কাটাতে পারে। আমি একটি কথা বলবো জনগণের উদ্দেশ্যে, আপনারা পুলিশকে নিজের বন্ধু ভাবুন,পুলিশ জনগণের বন্ধু। পুলিশ জনগণের শুধু বন্ধুই নয়,সেবকও। পুলিশ সব সময়ই জনগণের বন্ধু হিসেবে জনগণের পাশে ছিল এবং আগামীতেও থাকবে। জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা ছাড়া পুলিশের পক্ষে ব্যাপক জনগোষ্ঠীর সেবা দেওয়া সম্ভব নয়।

    ওসি মুমিনুল হক এর সততা ও ন্যায়-নিষ্ঠায় সমগ্র করিমগঞ্জ উপজেলাবাসি গর্ববোধ করেন। করিমগঞ্জ বাসি মনে করেন,বাংলাদেশের প্রতিটি থানায় ওসি মুমিনুল হক এর মতো সৎ পুলিশ অফিসার যেদিন থাকবে সেদিনই বাংলাদেশ হয়ে উঠবে নিরাপদ, সুন্দর ও শান্তিময় দেশ।
    করিমগঞ্জ থানার একাধিক পুলিশ অফিসার বলেন, স্যারের মতো এমন অফিসার পাওয়া সত্যিই ভাগ্যের ব্যাপার। স্যারের মতো দক্ষ, সৎ ও কর্তব্যপরায়ন পরোপকারী পুলিশ অফিসার বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর জন্য গর্ব।

    স্থানীয় বেশ কয়েকজন সাংবাদিক জানান, পুলিশের কিছু সদস্য যারা নিজের ডিপার্টমেন্টের সুনাম রক্ষায় দিন-রাত নিরলস ভাবে কাজ করে পুলিশের ভাবমূর্তিকে জনতার মাঝে প্রশংসিত করে যাচ্ছেন। তাদেরই একজন করিমগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মুমিনুল হক  পুলিশ জনতা, জনতাই পুলিশ” তিনি তার আচার-আচরণ, কথা-বার্তায় জনগণকে তা বুঝিয়ে দিচ্ছেন। তিনি থানা পুলিশের একজন সর্বোচ্চ কর্মকর্তা তার মাঝে সেরকম কোন ভাব নেই। যিনি ধনী-গরিব বুঝেন না। তিনি শুধু বোঝেন তিনি জনগনের একজন সেবক। জনগণকে সেবা দেওয়াই যার লক্ষ্য। সদা হাস্যোজ্জল থাকেন। সকলের খোঁজ খবর নেয়ার চেষ্টা করেন। করিমগঞ্জ এলাকা থেকে মাদক, ছিনতাই, চুরি, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধ নির্মূলে তার ভূমিকা প্রশংসনীয়। রেকর্ডসংখ্যক মাদক উদ্ধার মাদক ব্যবসায়ী এবং সেবনকারীদের গ্রেপ্তার অভিযানে মেধা ও বুদ্ধির কারণে তিনি স্থানীয় বসতি ও জন সাধারণের মাঝে আলোচনার স্থান দখল করে নিয়েছেন।

    এ সফলতার রহস্য জানতে চাইলে তিনি নিজস্ব উদ্যোগ,সাহস,মেধাকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বারোপ করেন। সরকারের নির্দেশ বাস্তবায়ন আর দেশ প্রেমই মাদক বিরোধী অভিযানে তাকে বেশি উদ্বুদ্ধ করে বলে জানান তিনি। মাদক, বাল্যবিবাহ, জঙ্গিবাদ এ ধরনের সকল সমাজ ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড নির্মূলে ব্যক্তি পর্যায় থেকে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান পুলিশের এই চৌকস কর্মকর্তা

    কোন মন্তব্য নেই

    Post Top Ad

    Post Bottom Ad