Header Ads

  • সংবাদ শিরোনাম

    দেবিদ্বার সরকারি হাসপাতালে করোনার আতঙ্কে রোগী কমছে।

    মোহাম্মদ উল্লাহ্ ভূইয়া(সোহাগ) /

    করোনা আতঙ্কে দেবিদ্বার সরকারি হাসপাতালে রোগী কমেছে।দেবিদ্বার সরকারি সহ সবকটি  হাসপাতালে সাধারণ রোগীদের সংখ্যা অন্যান্য সময়ের তুলনায় এক তৃতীয়াংশ হয়েছে। নতুন রোগীদের সংখ্যা যেমন কমেছে ঠিক তেমনি পুরাতন রোগীরাও হাসপাতাল ছাড়ছেন। অনেক রোগী পূর্ণ চিকিৎসা না নিয়েই বাড়ি চলে যাচ্ছেন। এতে করে রোগী শূন্য হয়ে যাচ্ছে হাসপাতালগুলো। এছাড়াও দেবিদ্বারে সবকটি হাসপাতালে চিকিৎসক ও নার্সের সংখ্যা কমেছে। অনেক চিকিৎসক ছুটিতে আছেন। আবার অনেকেই সতর্কতার অংশ হিসেবে হোম কোয়ারেন্টিনে অবস্থান করছেন।
    যারা হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করছেন তারা অলস সময় কাটাচ্ছেন।

    দেবিদ্বার সরকারি হাসপাতাল বছরের অন্যান্য সময় গড়ে প্রতিদিন শতাধিক টিকেট বিক্রি হলেও দেশে করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়াতে এখন টিকেট বিক্রিতে ধস নেমেছে। আগের তুলনায় এখন অর্ধেক টিকেট বিক্রি হচ্ছে না। করোনা আতঙ্কে এখন রোগীরা হাসপাতালে আসেন না। একান্ত জরুরি রোগী হলে আসছেন।হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে চিকিৎসকের উপস্থিতি যেমন কম তেমনি নার্সদের উপস্থিতিও কম। যে কয়েকজন নার্সদের দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে তারা অলস সময় কাটাচ্ছেন। 

    করোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য অস্থায়ী আইসোলেশন কক্ষ তৈরি এখনো হয়নি দেবিদ্বারে। জরুরি বিভাগেই খোলামেলা পরিবেশে হাচি,কাশি,স্বর্দি রোগীদের চিকিৎসার এরকম ব্যবস্থা করা নিয়ে অভিযোগ আছে অনেকের। কারন এই কক্ষের পাশ দিয়ে শত শত রোগী, তাদের স্বজন এবং হাসপাতালের স্টাফরা চলাচল করেন। আগের চেয়ে রোগীর চাপ কম। সবার মধ্যে একটা আতঙ্ক বিরাজ করছে। জরুরি রোগী ছাড়া অন্য রোগীদের আনাগোনা কম। তবে এখানে আগত রোগীদের ব্যাপারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ খুবই সতর্ক। চিকিৎসক নার্সরাও সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিয়ে সেবা দিচ্ছেন।

    বেসরকারি হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় একই অবস্থা। হাসপাতালটির বিভিন্ন বিভাগের ওয়ার্ড ঘুরে দেখা গেছে প্রতিটা ওয়ার্ডেই রোগীর স্বল্পতা রয়েছে। অন্যান্য সময় একটি সিট পাওয়ার জন্য হাহাকার থাকলেও এই সময়ে বেশিরভাগ সিটই রোগী শূন্য। পরীক্ষা নিরীক্ষার  ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলি একপ্রকার বন্ধ বললেই চলে। কমেছে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের আনাগোনা।
    মানুষকে ঘরে থাকতে বলা হচ্ছে, তাই জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ বের হচ্ছে না। 

    জরুরি অসুস্থতাবোধ না করলে কেউ হাসপাতালে আসছে না তাই রোগী কমেছে। তবে সরকারি হাসপাতালে আবহাওয়া পরিবর্তনের কারনে সর্দিজ্বর ও কাশির রোগী বেড়েছে। তাদেরকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।করোনা নিয়ন্ত্রণে সচেতনতাই জরুরি। সবাইকে নিজ নিজ অবস্থানে থেকে সতর্ক থাকতে হবে। বাইরে ঘুরাফেরা কমাতে হবে।

    কোন মন্তব্য নেই

    Post Top Ad

    Post Bottom Ad