করিমগঞ্জ উপজেলা সাতারপুর ইউনিয়নে দরিদ্রের মাঝে চাল,আলু,ডাল বিতরণ করলেন উপজেলা প্রশাসক।
মোঃ জনি হোসেন কিশোরগঞ্জ।
করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে করিমগঞ্জে খেটে খাওয়া মানুষ বেশ বেকায়দায় রয়েছে। আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে গেছে অনেকের। প্রতিদিনের খাবার সংগ্রহ করতেই হিমশিম খাচ্ছে তারা। এ দুর্ভোগে সরকারের খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি কিছুটা হলেও স্বস্তি দিয়েছে তাদের।
রবিবার(২৯মার্চ)সকাল ১১টায় করিমগঞ্জ উপজেলার সাঁতার পুর ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে এলাকার নিম্ন আয়ের মানুষ রিকশা চালক, ঝালমুড়ি বিক্রেতা,ফেরিওয়ালা,বেকার ও ভিক্ষুক সহ আরও অন্তত অর্ধশত হত দরিদ্রদের মাঝে এসব খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করে উপজেলা প্রশাসন জনাব তসলিমা নুর হোসেন।
এ সময় তাদের প্রত্যেককে ১০ কেজি চাউল, ৫ কেজি আলু এবং ২ কেজি ডাল,৫০০ গ্রাম লবন সম্বলিত প্যাকেট বিতরণ করা হয়েছে।খাদ্য সামগ্রী বিতরণ কালে করিমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব তসলিমা নুর হোসেন করোনা সম্পর্কিত বিষয়ে সচেতনতা মূলক বক্তব্য দেন ও পর্যায়ক্রমে সব ইউনিয়নে এ সহায়তা প্রদান করা হবে বলে জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন করিমগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী অফিসার জনাব তসলিমা নুর হোসেন, কাদির জঙ্গল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাব সাইদুর রহমান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রেজিয়া পারভিন, সচিব গ্রাম পুলিশ ইউনিয়ন পরিষদের কর্মকর্তা ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
করিমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব তসলিমা নুর হোসেন জানান,আজ থেকে ১৩টি উপজেলায় ১০ হাজার হতদরিদ্র মানুষকে খাদ্য সহায়তা দেওয়া শুরু হয়েছে। কালকের মধ্যে তালিকা ভুক্ত সবাই ঘরে খাবর পেয়ে যাবে।এর জন্য ১০ লাখ টাকা ও ১০০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।আরো বরাদ্দ পাওয়া গেলে একইভাবে মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে যাবে খাদ্য সামগ্রী।এ সময় তিনি সবাইকে ঘরে থাকার পরামর্শ দিয়ে বলেন,কেউ খাদ্য কষ্টে থাকবে না, জেলা প্রশাসন তার সবটুকু দিয়ে মানুষের পাশে থাকবে।
স্থানীয় লোকজন জানান,করোনা ভাইরাসের কারণে কাজকর্ম না থাকায় সবাই কষ্টে আছে। অনেকে লজ্জায় সমস্যার কথা বলছে না। তাদেরও খুঁজে বের করে সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া উচিত। তাছাড়া এ দুঃসময়ে সরকারি বরাদ্দও এর ব্যাপ্তি আরো বাড়ানো দরকার।যেন ক্ষতিগ্রস্ত সবাই এর সুবিধাটুকু পায়


কোন মন্তব্য নেই