মধ্যে রাতে উপহার সামগ্রী নিয়ে গরীবের দরজায় শিল্প মন্ত্রণালয়ের আনোয়ারুল ইসলাম।
মোঃ জনি হোসেন করিমগঞ্জ /
মানবতার সেবায় যারা নিজেকে বিলিয়ে দিতে পারে তারাই সমাজ সেবক। যারা সমাজে নানামুখি কমকান্ডের জন্য অবদান রাখছে তারা হয়তো একদিন থাকবে না কিন্তু মানুষ তাদের যুগ যুগ স্মরণ করবে। পরিবার ও সমাজ উন্নয়ন সংস্থা এই সমাজে মানুষের জীবন বাঁচাতে রক্তদান, আত মানবতার সেবায় , শিক্ষা বিস্তারে কাজ করছে সেচ্ছায় তাদের এই অবদান মানুষ স্মরণে রাখবে
নিজে ঘরে থাকুন, নিরাপদে থাকুন,অন্যকে ঘরে থাকতে সচেতনতা মূলক পরামর্শ দিন”এই প্রতি পাদ্যকে সামনে রেখে (Covid-19)।করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় করিমগঞ্জ উপজেলার গুজাদিয়া ইউনিয়নের হাইধন খালী, হীরারাম পুর ও মাঝি পাড়া গ্রামে নিজ অর্থায়নে ৫০ জন দিন মজুর দরিদ্র পরিবারের ঘরে ঘরে মধ্যো রাতের আঁধারে দরিদ্রদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণের উদ্যোগ নিয়েছেন শিল্প মন্ত্রণালয়ে চাকরি রত আনোয়ারুল ইসলাম।
আনোয়ারুল ইসলাম একজন মধ্যভিত্ত পরিবারের বেড়ে উঠা মেধাবী ছাত্র অল্প কিছুদিন হলো শিল্প মন্ত্রণালয়ে চাকরি করেন।পার্শ্বিকতা কাটিয়ে না উঠতেই তিনি তার নিজস্ব অর্থায়নে ৫০ জন দরিদ্র পরিবারের ঘরে ঘরে মধ্যো রাতের আঁধারে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করেন। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার স্বার্থে ও বয়স্ক লোকদের কথা বিবেচনায় ঘরে ঘরে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেওয়ার এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।
বিতরণ কৃত খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে প্রত্যেক পরিবারের জন্য ছিল ২ কেজি আটা,৫ কেজি আলু,ডাল ৫০০গ্রাম,৫০০ গ্রাম লবণ,৫০০ গ্রাম তেল সহ জনসচেতনতা মূলক দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়।
আনোয়ারুল ইসলাম জন সাধারণের উদ্দেশ্যে বলেন,আপনারা করোনা ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে সবাই সতর্ক হোন, আমরা সবাই একটু সচেতন থাকলেই করোনা ভাইরাসের আক্রমন থেকে মুক্তি পাবো ইনশাআল্লাহ। তিনি আরো বলেন, করোনা ভাইরাস দূর্যোগ মোকাবিলায় আমার নিজস্ব অর্থায়নে আজ কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার গাইটাল মুকসেদ পুরে ৫০ জন অসহায় দরিদ্রদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করেছি।


কোন মন্তব্য নেই