মুমূর্ষ রোগীরা বাঁচতে চায় অসহায়রা খাবার চায়
স্টাফ রিপোর্টার, রাহাদ হোসেন / দেশ আজ ভয়াবহ অবস্থায় রয়েছে। বৈশ্বিক দুর্যোগ করোনা মহামারী আমাদের সোনার বাংলাদেশেও ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। আক্রান্তের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে এবং মৃতের সংখ্যা হাফ সেঞ্চুরি ছুঁই ছুঁই।এর মধ্যে বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি স্থানই হোম লক ডাউনে রয়েছে। এই সময় অসহায়, গরীব, দুঃখীরা পর্যাপ্ত পরিমাণে খাবার পাচ্ছে না। আর পেলেও ৫ কেজি চাল ১ টি পরিবারের তিন দিনের খাবার। কিন্তু দেশের যে অবস্থা আরো পর্যাপ্ত খাবারের প্রয়োজন। তার মাঝে চাউল চোর এর উপদ্রব কয়েকটি জেলায় বৃদ্ধি পেয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মহোদয় এদেরকে কঠোর শাস্তির আওতায় আনার ব্যবস্থা নিচ্ছে।অন্যদিকে মুমূর্ষু রোগীরা পর্যাপ্ত যানবাহনের অভাবে হাসপাতালে যেতে পারছেনা। করোনা মারামারির দুর্যোগের পর গত বছরের ন্যায় ডেঙ্গু মহামারী আকার ধারণ করতে পারে। বিশেষ করে নারায়ণগঞ্জ জেলায় মশার উপদ্রব অনেক। এই হোম লকডাউন এর মাঝে জীবাণুনাশক স্প্রে বাংলার প্রতিটি অলিতে গলিতে ছিটিয়ে দিলে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধসহ মশক নিধন করা সম্ভব হতো। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মহোদয়, আপনি এ বিষয়ে বাংলাদেশের প্রতিটি এলাকায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের এই ভাইরাস রোধে আরো কঠোর ব্যবস্থার জন্য নির্দেশ দিবেন এটাই বাংলার প্রতিটি জনগণের ফরিয়াদ। এছাড়াও করোনা সহ অন্যান্য মুমূর্ষু রোগীদের জন্য প্রতিটি এলাকায় পর্যাপ্ত যানবাহন প্রয়োজন। সর্বশেষে বলতে চাই, আমরা সাংবাদিকরা মাঠ পর্যায়ে নেমে নিউজ সংগ্রহ করি। আমাদের করোনা সেফটি পোশাক প্রয়োজন এবং আর্থিক সহায়তা দ্রুত ভিত্তিতে প্রয়োজন। এ ব্যাপারে বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মহোদয় সুদৃষ্টি দিলে আমরা সংবাদকর্মীরা আপনার কাছে চির কৃতজ্ঞ থাকব।


কোন মন্তব্য নেই